সর্বশেষ
রবিবার ৪ঠা অগ্রহায়ণ ১৪২৫ | ১৮ নভেম্বর ২০১৮

মঙ্গল গ্রহের জুতা নিয়ে শোরগোল

শুক্রবার, আগস্ট ২৬, ২০১৬

1534643651_1472201088.jpg
বিডিলাইভ রিপোর্ট :
লাল গ্রহ হিসেবে পরিচিত মঙ্গলে মানুষের বসবাসের সম্ভাবনা নিয়ে অনেক আগে থেকেই গবেষণা চালাচ্ছেন নাসার মহাকাশ বিজ্ঞানীরা। বিশেষ করে মঙ্গল গ্রহে কখনো পানির অস্তিত্ব ছিল কিনা সে বিষয়ে অনেক বছর ধরেই অনুসন্ধান চলছে।

মঙ্গল গ্রহে অতীতে কখনো প্রাণের অস্তিত্ব ছিল কিংবা বর্তমানে রয়েছে, এমন প্রমাণ নাসা তাদের গবেষণায় এখন পর্যন্ত না পেলেও, ইউএফও গবেষকরা এ ব্যাপারে নাসার সঙ্গে একমত নয়। কেননা বরাবরই ইউএফও গবেষকরা মঙ্গল গ্রহে ভিনগ্রহী প্রাণীদের বসবাস ছিল কিংবা এখনো রয়েছে বলে দাবী করে আসছে।

গ্রহটিতে কাজ করছে নাসার একাধিক রোবটযান। এসব রোবটযান মঙ্গল গ্রহের ভূত্বক ও পরিবেশ নিয়ে নানা অনুসন্ধান চালাচ্ছে এবং একের পর এক ছবি পাঠাচ্ছে। বিভিন্ন সময়ে রোবটযানের পাঠানো নাসা কর্তৃক প্রকাশিত মঙ্গলগ্রহের ছবিগুলো বিশ্লেষণ করেই, ইউএফও গবেষকরা মঙ্গল গ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব ছিল কিংবা এখনো রয়েছে বলে দাবী করে আসছে।

ইতিমধ্যে মঙ্গল গ্রহে বিভিন্ন ধরনের প্রাণীর জীবাশ্ম, মূর্তি, কামান, চামচ, কবর, মমিসহ একের পর এক নানা কিছু দেখার দাবি করেছেন বিভিন্ন ইউএফও গবেষকরা। আর এবার এ তালিকায় নতুন যোগ হয়েছে জুতা।

সম্প্রতি মঙ্গল গ্রহের ছবি বিশ্লেষণ করে গ্রহটিতে জুতা দেখতে পেয়েছেন বলে দাবী করে ফের শোরগোল ফেলে দিয়েছেন ইউএফও নিউজের জনপ্রিয় সাইট ‘ইউএফও সাইটিংস ডেইলি’-এর প্রতিষ্ঠাতা স্কট সি। এবং এই জুতা পাওয়ার ঘটনাটিকে বলা হয়েছে মঙ্গল গ্রহে ‘একটি প্রজাতির ভয়াবহ মৃত্যু’ প্রমাণ হিসেবে। বলা হচ্ছে, পড়ে থাকা জুতা প্রমাণ করে যে, শিলা এবং ধুলার এই লালগ্রহের প্রজাতি যুদ্ধরত ছিল এবং জুতাটি শক্তিশালী প্রমাণ যে, সেই প্রজাতি মানবসাদৃশ্য ছিল।’

স্কট সি তার ব্লগ পোস্টে বলেন, ‘রোভার যানের তোলা কিছু ছবি দেখছিলাম, সেময় একটি ছবিতে দেখতে পাই আগ্নেয়গিরির মুখের কাছে পড়ে থাকা একাকী একটি জুতা। সম্ভবত এটা মঙ্গলগ্রহের একটি প্রজাতির জুতা যারা অনেক আগেই যুদ্ধের মাধ্যমে বিলুপ্ত হয়েছে এবং এই জুতা জোড়ালো প্রমাণ যে, তারা মানবসাদৃশ্য ছিল।’

 ২৪ আগস্ট বুধবার, এটি তার নজরে পড়েছে বলে স্কট সি জানিয়েছেন। যে ছবিটিতে তিনি এটি দেখতে পেয়েছেন সেই মূল ছবিটি নাসার রোবটযান অপরচুনিটি রোভার তুলেছিল ২০১৩ সালে। মঙ্গল গ্রহের মাটিতে ছড়িয়ে থাকা শিলার ছবি হিসেবেই মূল ছবিটি প্রকাশ করেছিল নাসা। কিন্তু স্কট সি এই ছবি বিশ্লেষণ করে শিলার পাশাপাশি সেখানে জুতার দেখার দাবী করেছেন। যদিও অনেকের মতে, এটি আরো একটি শিলাখণ্ড ছাড়া আর কিছুই নয়।

তবে ইউএফও গবেষক স্কট সির দাবী এখানেই শেষ নয়, বরঞ্চ পরের দাবী আরো চমকপ্রদ। তিনি দাবী করেন, ‘মঙ্গল গ্রহে যুদ্ধে নিহত প্রজাতির কারো বাঁ পায়ের জুতা এটি। জুতার বক্রতা স্পষ্টভাবেই বাঁ পায়ের জুতা বোঝাচ্ছে।’

ইউএফও গবেষকরা মঙ্গল গ্রহের ছবি বিশ্লেষণ করে প্রাণের অস্তিত্ব বিষয়ে নানা কিছু দেখার দাবি করে আসলেও, তাদের একের পর এক এসব দাবীর ব্যাপারে নাসা বরাবরই নীরব। ২০৩০ সালের মধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে মঙ্গল গ্রহে বসবাসের জন্য মানুষ পাঠানোর জন্য ইতিমধ্যেই নানা উদ্যোগ ও পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন নাসার বিজ্ঞানীরা। তথ্যসূত্র : ডেইলি মেইল

 


ঢাকা, শুক্রবার, আগস্ট ২৬, ২০১৬ (বিডিলাইভ২৪) // পি ডি এই লেখাটি ২৩৮২ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন