সর্বশেষ
শুক্রবার ২রা অগ্রহায়ণ ১৪২৫ | ১৬ নভেম্বর ২০১৮

চিরিরবন্দরে বাড়ছে পারিবারিক নির্যাতন

মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ৬, ২০১৬

216456192_1473140840.jpg
দিনাজপুর প্রতিনিধি :
দিনাজপুর চিরিরবন্দরে আশংকাজনক হারে বিবাহ বিচ্ছেদ বেড়েই চলছে। চিরিরবন্দরে বিবাহ বিচ্ছেদ বেড়ে যাওয়ায় অভিভাবকদের মধ্যে চরম হতাশা ও আতংক বিরাজ করছে।

তার মতো চিরিরবন্দরের নারীরা শিক্ষিত কিংবা স্বাবলম্বী অনেকেই সমাজে নানাক্ষেত্রে এগিয়ে গেলেও নিজগৃহে সুখে নেই। যৌতুক, দ্বিতীয় বিয়েতে বাঁধা, মাদকাসক্তিসহ নানা কারণে নারীরা নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের অনেক নারী নির্যাতনের শিকার হয়ে সেবাকেন্দ্রে আসলেও মামলায় যেতে অনাগ্রহী। আবার উচ্চবিত্ত ও শিক্ষিত অনেক নারী নির্যাতনের শিকার হয়েও চুপ থাকছেন। সেইসাথে বিবাহবিচ্ছেদের ঘটনাও আশংকাজনক হারে বাড়ছে।

উপজেলার প্রায় আনুমানিক ৪ শতাধিক দম্পতি গত ৩ বছরে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটিয়েছেন। এগুলোর কারণ হিসেবে জানা যায় অল্প বয়সে বিবাহ হয়ে ঘনঘন অসুস্থ হয়ে, যৌতুকের দাবী মেটাতে না পারা, দাম্পত্য কলহ, অপ্রাপ্ত বয়সে সংসারের চাপ সামলাতে না পারা, স্বামী নেশাগ্রস্থ হওয়া, পিতা-মাতার পছন্দে জোর করে বিয়ে সম্পন্ন করা।

চিরিরবন্দর সামাজ উন্নয়ন প্রশিক্ষন কেন্দ্র (ঝটচক) লিগাল কাউন্সিলার- মোছা. দিলারা বেগম (রানু) জানিয়েছেন, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে যৌতুকের জন্যই নারীরা নিজ গৃহে নির্যাতিত হয়ে থাকেন। স্বামী বা তার পরিবারের সদস্যদের হাতে মারধরের শিকার হন। তবে এদের মধ্যে কিছু কিছু নির্যাতনের শিকার গৃহকর্মী এবং প্রতিবেশীর হাতে নির্যাতিত হয়ে থাকেন বলে তিনি জানান।

উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সোসাল ওয়াকার (ঝটচক) মোছা. আরজিনা খাতুন জানান, নির্যাতিত হয়েও চুপ থাকেন শিক্ষিত শ্রাণির নারীরাই। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত নারীরা সেবা দিতে চাইলে নিতে চান না। মামলায় যেতে চান না সংসার নষ্ট হবে, মানসম্মান হানি হবে বলে ঝামেলা মনে করেন।

চিরিরবন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আনিছুর রহমান জানান, থানায় প্রায় প্রতিদিন দু-একটি পারিবারিক সহিংসতার ঘটনায় মামলা বা অভিযোগ করার জন্য আসে, সেগুলো ভালভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়।

ঢাকা, মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ৬, ২০১৬ (বিডিলাইভ২৪) // জে এইচ এই লেখাটি ৭৬৮ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন