সর্বশেষ
শুক্রবার ৬ই আশ্বিন ১৪২৫ | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮

লড়াইয়ে অংশগ্রহণ করতে পিছ পা নয় তারাও!

সোমবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০১৬

335062446_1474863389.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :
ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে চলছে উত্তেজনা। কূটনৈতিক বার্তা চরমে উঠেছে৷ জলে-স্থলে-আকাশে পরস্পরকে মেপে নেয়ার পালা চলছে পুরোদমে৷ জম্মু-কাশ্মীরের উরি সেনা ক্যাম্পে পাকিস্তান মদত পুষ্ট জঙ্গি হানার পর থেকেই নয়াদিল্লি-ইসলামাবাদ সম্পর্ক দিনে দিনে অবনতির পথে৷ সব মিলে একবিংশ শতকে প্রথমবার ভারত-পাকিস্তান আবারও সংঘর্ষের জন্য প্রস্তুত৷ গরম সম্পর্কের এই পরিস্থিতিতে দু তরফের সেই নয় আকাশ কন্যাকে দেখে নেয়া যাক৷ যারা একে অপরের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নামার জন্য মুখিয়ে৷

আকাশ কাঁপানো তিন মহিলা ভারতীয় বায়ু সৈনিক :

সম্প্রতি ভারতীয় বায়ুসেনার ফাইটার স্কোয়াড্রনে তিন মহিলার অন্তর্ভুক্তি ঘটিয়েছে৷ শক্তিতে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম বিমান বাহিনীর ফাইটার পাইলট হলেন অবনী চতুর্বেদী, মোহনা সিং ও ভাবনা কান্থ৷ রয়েল ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্স থেকে ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্সের সুদীর্ঘ ৮৪ বছরের যাত্রাপথে এই তিন মহিলা বায়ুসৈনিকের নাম ইতিহাসে উঠে এসেছে৷ যে কোনো মুহূর্তে অবনী, মোহনা, ভাওয়ান সরাসরি শত্রুপক্ষকে নাস্তানাবুদ করতে তৈরি৷ হায়দরাবাদের হাকিমপেট এয়ারফোর্স একাডেমি থেকে পাস আউট করেছেন তিন মহিলা যুদ্ধবিমান চালক৷

অবনী চতুর্বেদী:
মধ্যপ্রদেশের রেওয়ার বাসিন্দা৷ বাবা ইঞ্জিনিয়ার৷ ভাই আর্মির ক্যাপ্টেন৷ কাকা সহ পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্য সেনাবাহিনীতে কর্মরত৷ খুব ছোটবেলা থেকেই বিমান চালানোর ইচ্ছে ছিল অবনীর৷ শেষ পর্যন্ত দেশের প্রথম তিন যুদ্ধবিমান চালকের একজন হয়ে নজির গড়েছেন অবনী৷
indian-1
ভাবনা কান্থ:
বিহারের দারভাঙ্গা জেলার বাসিন্দা ভাবনা৷ পরিবারের বড় মেয়ে৷ লেখাপড়ায় তুখোড় ভাবনা বি টেক শেষ করার পর বায়ু সেনাতে যোগদেন৷ ফাইটার পাইলট হিসেবে ভাবনা প্রশিক্ষণ পর্বে কৃতিত্ব দেখিয়েছেন৷

মোহনা সিং:
গুজরাটের ভদোদরার বাসিন্দা৷ এয়ারফোর্সে রয়েছেন তাঁর পরিবারের আরও কয়েকজন৷ বি টেক পাশ করা মোহনা এয়ারফোর্সে যোগ দেন৷ নজির গড়ে মহিলা ফাইটার চালক হিসেবে সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেওয়ার স্বীকৃতি পেয়েছেন৷

প্রতিদ্বন্দ্বী ছয় পাকিস্তানি মহিলা যুদ্ধবিমান চালক :

৬৯ বছরের পাকিস্তান বিমান বাহিনীতে যুদ্ধবিমান চালক হিসেবে মহিলাদের স্থান রয়েছে৷ এরা হলেন আয়েশা ফারুক, অম্বরিন গুল, সাবা খান, নাদিয়া গুল, মরিয়ম খলিল৷

আয়েশা ফারুক:
পাকিস্তানের অন্যতম ফাইটার প্লেন চালক৷ বাড়ি ভাওয়ালপুরে৷ উড়ান প্রশিক্ষণ পর্বে বিশেষ কৃতিত্ব দেখিয়েছেন আয়েশা৷

অম্বরিন গুল:
ইসলামাবাদের বাসিন্দা৷ বাবা এক বেসরকারি কোম্পানির ম্যানেজার৷ ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করে এয়ারফোর্সে যোগ দেন অম্বরীন৷ প্রশিক্ষণ শেষে যুদ্ধ বিমান চালক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন৷

সাবা খান:
বালোচিস্তানের রাজধানী কোয়েটার বাসিন্দা৷ পাকিস্তান এয়ারফোর্সের প্রথম মহিলা ব্যাচের একজন সাবা৷ সরাসরি আকাশে ওড়ার স্বপ্ন দেখেননি তিনি৷ কাগজে চাকরির বিজ্ঞাপন দেখে এয়ারফোর্সের পরীক্ষায় আবেদন করেছিলেন৷ বাকিটা ইতিহাস৷
pakistani-1
সায়রা বাতুল:
উপজাতি হাজারা গোষ্ঠী থেকে উঠে আসা যুদ্ধ বিমান চালক৷ পাকিস্তানি মহিলাদের মধ্যে আইকন সায়রা৷

মরিয়ম খলিল:
পাকিস্তানি মহিলা যুদ্ধ বিমান চালাকদের অন্যতম নাম৷ পাকিস্তান এয়ারফোর্সের প্রথম মহিলা ব্যাচের অন্যতম৷ যোগ্যতা পর্বে কৌশলী যুদ্ধবিমান চালক হিসেবে সুনাম কুড়িয়েছেন তিনি৷

নাদিয়া গুল:
আরো এক পাকিস্তানি যুদ্ধবিমান চালক৷ নাদিয়ার স্বামী পাকিস্তান আর্মির ক্যাপ্টেন৷

ঢাকা, সোমবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০১৬ (বিডিলাইভ২৪) // জে এস এই লেখাটি ৩৩৬৬ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন