সর্বশেষ
বুধবার ১১ই আশ্বিন ১৪২৫ | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮

রাঙামাটি ভ্রমণে হতাশ পর্যটকরা

বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০১৬

1220969742_1475144982.jpg
বিডিলাইভ রিপোর্ট :
রূপবৈচিত্র-হ্রদের জল-পাহাড় আর অরণ্যের অপার সৌন্দর্যের কোল ঘেঁষে রয়েছে প্রকৃতির রূপসী কন্যা রাঙামাটি। চট্টগ্রাম বিভাগের পার্তব্য চট্টগ্রামের তিনটি জেলার মধ্যে অন্যতম এই রাঙামাটি জেলা। আকা-বাকা পথ আর উঁচু-নিচু পাহাড় নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে রাঙামাটি।

বছরের এই সময়টি স্থানটিতে পর্যটকদের ব্যাপক সমাগম ঘটে। কিন্তু সম্প্রতি অপরুপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি রাঙামাটির প্রতি আগ্রহ কমে আসছে পর্যটকদের। পার্বত্য রাঙামাটি এখন অনেক শান্ত ও স্থিতিশীল। তাই পর্যটন মৌসুমে প্রতিবছরই পর্যটকদের সরব উপস্থিতি থাকে লেক পাহাড়ের এ শহরে।

জানা গেছে, প্রতিদিন হাজারো পর্যটকের আগমনে পর্যটন স্পটগুলো মুখরিত থাকলেও বর্তমানে রাঙামাটিতে স্বতস্ফূর্তভাবে আগত পর্যটকগণ চরম হতাশা নিয়ে ফিরে যাচ্ছে। নানাবিদ সমস্যার সঙ্গে অন্যতম আকর্ষণ ঝুলন্ত সেতু পানির নিচে ডুবে থাকাসহ ঐতিহ্যবাহী রাজবন বিহারে পর্যটকদের আগমনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিষেধাজ্ঞাসহ ভান্ডারী পাহাড়ে পর্যটক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞায় ভ্রমণের আকর্ষণ হারিয়ে ফেলছেন পর্যটকরা।

ফলে হোটেল মোটেল ও রেস্টুরেন্ট ব্যবসায় গুনতে হচ্ছে লোকসান। এমনকি এর প্রভাব পড়েছে টুরিস্টের সাথে জড়িত নৌযান ব্যবসায়। বেকার সময় পার করছে হরেক ব্যবসার সাথে জড়িত শত-শত মানুষ।

পাহাড়ের বৈচিত্রময় নৃতাত্বিক জনগোষ্ঠী ও তাদের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্যের জন্য রাঙামাটি শহর দেশি বিদেশি পর্যটকদের কাছে অনেক বেশি আকর্ষণীয় হলেও সাম্প্রতিক সময়ে পরিসংখ্যান বলে প্রতিবছরই কমছে রাঙামাটিতে পর্যটকদের সংখ্যা। তার মধ্যে বিদেশি পর্যটকদের সংখ্যা একেবারে তলানিতে। পর্যটন শহর রাঙামাটিকে ঘিরে বিভিন্ন সময় নানাবিধ সমস্যা তৈরি হওয়ায় পর্যটক কমছে বলে ধারনা স্থানীয়দের।

এখানকার যানবাহন ব্যবস্থা একেবারে নাজুক। স্থানীয় মালিক সমিতির দৌরাত্বের কারণে আধুনিক বিলাস বহুল যানবাহনের সংখ্যা একেবারে হাতেগোনা। তবে রাঙামাটি-চট্টগ্রাম রুটে যে যানবাহনগুলো চলাচল করে সেগুলো নিয়ে যাত্রীদের নানান অভিযোগ রয়েছে। মান্ধাত্বার আমলে যানবাহন দিয়ে এ রুটে চলছে যাত্রী সেবা। প্রায় দুর্ঘটনায় পতিত হওয়া এসব যানবাহনগুলোর ফিটনেস নিয়েও অভিযোগ দীর্ঘদিনের। তাছাড়া, শহরে সিএনজি চালিত ভাড়া নিয়েও আপত্তি পর্যটকদের।

বেশিরভাগ পর্যটক জানান, এখানকার অভ্যন্তরীণ সিএনজি ভাড়াটা বেশি। চট্টগ্রাম থেকে রাঙ্গামাটি আসতে যে পরিমাণ ভাড়া দিতে হয়, মাত্র দুই থেকে তিন কিলোমিটার ঘুরতে সে তুলনায় দ্বিগুনের বেশি ভাড়া প্রদান করতে হয়।

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০১৬ (বিডিলাইভ২৪) // এ এম এই লেখাটি ১১৬০ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন