সর্বশেষ
শনিবার ৩রা অগ্রহায়ণ ১৪২৫ | ১৭ নভেম্বর ২০১৮

শিরোপা জিতে শীর্ষেই থাকলেন মারে

বুধবার, নভেম্বর ২৩, ২০১৬

640378144_1479911262.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :
নোভাক জকোভিচকে পরাজিত করে প্রথমবারের মত এটিপি ট্যুর ফাইনালের শিরোপা জেতার পাশাপাশি বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে থেকেই বছর শেষ করলেন বৃটিশ তারকা এন্ডি মারে। রোববার ফাইনালে মারে ৬-৩, ৬-৪ গেমে সরাসরি সেটে জকোভিচকে পরাজিত করে শিরোপা জয় করেন।

দুই সপ্তাহ আগেই জকোভিচকে হঠিয়ে বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানটি প্রথমবারের দখল করেছিলেন মারে। কিন্তু দীর্ঘ ১২২ সপ্তাহের হারানো সাম্রাজ্য ফিরে পেতে সার্বিয়ান তারকার ট্যুর ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন হওয়া জরুরী ছিল। মারে অবশ্য তা হতে দেননি। উল্টো প্রথমবারের মত ঐতিহ্যবাহী ট্যুর ফাইনালের শিরোপা জিতে বছর শেষের র‌্যাঙ্কিংয়েও নিজেকে শীর্ষেই ধরে রাখলেন। ১৯৭৩ সালে এটিপি র‌্যাঙ্কিং প্রথা প্রবর্তনের পরে ১৭তম খেলোয়াড় হিসেবে এক নাম্বারে থেকে বছর শেষ করলেন ২৯ বছর বয়সী মারে। ২০০৩ সালে এন্ডি রডিকের পরে জকোভিচ, রজার ফেদেরার ও রাফায়েল নাদালের বাইরে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে মারে এই শিরোপা জিতলেন।

লন্ডনের ও২ এরিনাতে হাই ভোল্টেজ ফাইনাল ম্যাচটি উপভোগ করতে এদিন উপস্থিত ছিলেন জুড ল, কেভিন স্পেসি ও উডি হারেলসনের মত তারকা অভিনেতারা। ফাইনালের জন্য বরাদ্দ ১৭ হাজার টিকেট নিমিষেই বিক্রি হয়ে গিয়েছিল। স্বাগতিক তারকাকে সমর্থনে এদিন যেন কোন কার্পন্যই করেননি বৃটিশ সমর্থকরা। ফাইনাল শেষে উচ্ছ্বসিত মারে বলেছেন, ‘এই শিরোপা জিততে পেরে আমি দারুণ খুশী। বিশ্বের এক নম্বর খেলোয়াড় হওয়া সত্যিই বিশেষ কিছু। যা আমি কখনই প্রত্যাশা করিনি। এর আগেও আমরা গ্র্যান্ড স্ল্যামের ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছি। কিন্তু এই ধরনের ম্যাচে নোভাকের মোকাবেলা করার অনুভূতি ভিন্ন।’

ফাইনালে জকোভিচ মূলত নিজেকে কোনভাবেই মানিয়ে নিতে পারেননি, ৩০টি আনফোর্সড এরর করেছেন। বিশেষ করে ফাইনালের মত ম্যাচে এর আগে জকোভিচকে কখনই এতটা অপ্রস্তুত দেখা যায়নি। সর্বশেষ চারটি ট্যুর ফাইনালের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে জকোর সমর্থকরা দারুন হতাশ হয়েছেন। মারের বিপক্ষে এর আগে ৩৪টি ট্যুর পর্যায়ের ম্যাচে ২৪টিতেই জয়ী হয়েছেন জকোভিচ। এর মধ্যে ছিল গত বছরের অস্ট্রেলিয়ান ও ফ্রেঞ্চ ওপেন। তবে জুনে চলতি বছরের রোলা গ্যাঁরোতে ম্যাচটিই ছিল উভয়ের জন্য টার্নিং পয়েন্ট। জকোভিচ যেখানে নিজেকে খুঁজে ফিরেছেন সেই সুযোগে মারে ক্যারিয়ারের সেরা ছয়মাস অতিবাহিত করেছেন। ফাইনালের আগেও জকোভিচ মারের তুলনায় সাড়ে তিন ঘন্টা বিশ্রাম বেশী উপভোগ করেছেন। অথচ সেমিফাইনালে মিলোস রাওনিকের বিপক্ষে কঠিন চ্যালেঞ্জের পরেও মারের মধ্যে নিজেকে এগিয়ে নেবার ব্যপারে কোন পরিশ্রান্ত ভাব লক্ষ্য করা যায়নি। ফাইনালে তাকে একেবারে নতুনভাবে দেখা গেছে যেখানে প্রথম থেকেই জকোভিচ ছিলেন কিছুটা পিছিয়ে।

জকোভিচ বলেন, ‘ম্যাচের শেষের দিকে আমি ভাল খেলেছি। কিন্তু সেটা যথেষ্ঠ ছিল না। এন্ডি অবশ্যই বিশ্বের এক নম্বর খেলোয়াড়। এই জয়টা তার প্রাপ্য ছিল। সেই বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়।’

ঢাকা, বুধবার, নভেম্বর ২৩, ২০১৬ (বিডিলাইভ২৪) // এস এইচ এই লেখাটি ৯০৫ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন