সর্বশেষ
বুধবার ৪ঠা আশ্বিন ১৪২৫ | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮

মেক্সিকোতে সাংবাদিক হত্যার প্রতিবাদে পত্রিকার প্রকাশনা বন্ধ

সোমবার, এপ্রিল ৩, ২০১৭

1125179933_1491204474.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :
সাংবাদিক হত্যার প্রতিবাদে মেক্সিকোতে একটি পত্রিকার প্রকাশনা বন্ধ রাখা হয়েছে। স্থানীয় একটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, সাংবাদিকদের প্রতি সহিংসতা এবং বিচারহীনতার প্রতিবাদে তারা পত্রিকার প্রকাশনা বন্ধ করে দিয়েছে।

মেক্সিকোর 'নর্তে দে সোদাদ জুয়ারেজ' নামের ওই পত্রিকা তাদের সম্পাদকীয়তে জানিয়েছে, সাংবাদিকদের প্রতি ধারাবাহিক সহিংসতা এবং অপরাধীদের শাস্তির নজির না মেলায় তারা প্রকাশনা বন্ধ করে দিচ্ছে। রোববার পত্রিকাটির সম্পাদকীয়তে জানানো হয় যে এটিই তাদের শেষ সংস্করণ। যদিও পত্রিকাটি অনলাইনে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাবে বলে জানিয়েছে।

ওই সংবাদমাধ্যমের একজন সংবাদকর্মী মিরোসলাভা ব্রিচকে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। মার্চ মাসেই মেক্সিকোর তিনজন সাংবাদিক হত্যাকাণ্ডের শিকার হন যাদের একজন ছিলেন মিস ব্রিচ। মেক্সিকোর সংগঠিত অপরাধের সঙ্গে রাজনীতিবিদদের সম্পৃক্ততা নিয়ে বিস্তৃত পরিসরে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিলেন তিনি। নিজ পত্রিকা ছাড়াও একটি জাতীয় পত্রিকার জন্যও ওই প্রতিবেদন বানিয়েছিলেন মিস ব্রিচ।

চিহুয়াহুয়া রাজ্যে নিজ বাড়ির সামনে নিজের গাড়িতে থাকা অবস্থায় হত্যাকাণ্ডের শিকার হন মিস ব্রিচ। দুর্বৃত্তরা আটবার গুলি করে তারা তার মৃত্যু নিশ্চিত করে। ঘটনার সময় মিস ব্রিচের এক সন্তানও তার সাথে গাড়িতে ছিল। যদিও সে কোথাও আঘাত পায়নি। হত্যা করে যাবার সময় একটি নোট রেখে যায় দুর্বৃত্তরা "খুব বেশি কথা বলার জন্য"।

পত্রিকা বন্ধের বিষয়ে পত্রিকাটির সম্পাদক অসকার কানটু বলেছেন, "এই দেশে সাংবাদিকদের কাজের পরিবেশ ও নিরাপত্তার কোনোটাই নেই। জীবনে সব কিছুরই শুরু আর শেষ রয়েছে। সবকিছুর জন্যই মূল্য দিতে হয়। তবে সেই মূল্য যদি হয় মানুষের জীবন; তাহলে আমি আমার সহযোগীদের হারাতে চাই না। আবার নিজেও মরতে চাই না।'

সাংবাদিক ও সংবাদমাধ্যমের সুরক্ষায় কর্মরত যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অ্যাডভোকেসি সংগঠন কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস-এর পরিসংখ্যান বলছে, ১৯৯২ সাল থেকে এ পর্যন্ত মেক্সিকোতে পেশাগত কারণে খুন হয়েছেন ৩৮ জন সাংবাদিক। একই সময়ে আরো ৫০ জন সাংবাদিক খুন হয়েছেন, যাদের খুনের নেপথ্যের কারণ জানা সম্ভব হয়নি।

গত মাসে চিহুয়াহুয়া রাজ্যের গভর্নর বলেছিলেন, সংগঠিত অপরাধ ঠেকানোর সামর্থ্য তার সরকারের নেই।
তিনি বলেছেন, সেখানকার মাদক-সংশ্লিষ্ট অপরাধ দমনে ফেডারেল পুলিশের সহায়তা চাওয়া হয়েছে।
সূত্রঃ বিবিসি বাংলা

ঢাকা, সোমবার, এপ্রিল ৩, ২০১৭ (বিডিলাইভ২৪) // জে এস এই লেখাটি ৫৭৯ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন