সর্বশেষ
সোমবার ৯ই আশ্বিন ১৪২৫ | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮

পুরুষের সঙ্গে নারীর শ্রমের বৈষম্য হাটে, মাঠে সর্বত্র

সোমবার, মে ১, ২০১৭

1002547307_1493624965.jpg
ময়মনসিংহ প্রতিনিধি :
সৃষ্টির আদি থেকেই সমাজ, সংস্কৃতি, সংস্কার সবটাই প্রবাহিত হচ্ছে নারীপুরুষের সমান অংশগ্রহণে। কিন্তু নারী কি পাচ্ছে তার প্রকৃত মর্যাদা?

আজ ১ মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। দিবসটি শ্রমিকের মর্যাদা ও অধিকারের লড়াইয়ের দিবস।

ময়মনসিংহ সদর উপজেলার চরাঞ্চলের বাসিন্দা যিনি কৃষি শ্রমের সঙ্গে জড়িত নারীপুরুষের শ্রম বৈষম্যের কথা বলতে গিয়ে অত্যন্ত ক্ষোভের সঙ্গে শেফালী আক্তার বলেছিলেন, ভাই পুরুষের একটা হাত যদি নাও থাকে তবুও পুরুষ নারীর থেকে বেশি মজুরী পাবে। শেফালী ক্ষোভের এ চিত্র যে শুধু চর এলাকায় তা নয় পুরুষের সঙ্গে নারীর শ্রমের বৈষম্য হাটে, মাঠে, ঘরে, কলকারখানায় সবর্ত্র।

শেফালী আক্তারের চাষ করার মত নিজের কোনো জমি নেই। তাই গ্রামের পাড়ায় পাড়ায় শাক তুলে শহরের বাজারে বিক্রি করে তিনজনের আহারের ব্যবস্থা করেন। রোদে পুড়ে ও বৃষ্টিতে ভিজে ভাতের জোগাড় করেন তিনি। আর শরীর খারাপ হলে, সন্তান অসুস্থ হলে তার কিছুই করার থাকে না।

শৈশব থেকেই অভাবের মধ্যে বড় হওয়া এ নারীর নুন আনতে পান্তা ফুরানোর অবস্থা। ৩ সদস্যের সংসারে দু'বেলা দু'মুঠো খাবার জোগাতে প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করতে হয়।

তিনি জানালেন, এভাবে কোনোদিন ৫০ টাকা, কোনোদিন ১০০ টাকাও আয় হয়। বয়সের ভারে নুয়ে পড়লেও সংসারের অভাব আর জীবন বাঁচানোর তাগিদে শ্রমের বোঝা টানতে হয় শেফালী আক্তারের মতো আরও অনেকের।

এসময় আলাপ হলো আছমা বেগম নামের এক লাকড়ি ব্যবসায়ীর সঙ্গে। তার কাছে জীবন মানেই যন্ত্রণার এক নাম। বয়স ৪৫ বছর। ২ সন্তান হওয়ার পর স্বামী মারা যায়। অসহায় হয়ে পড়ে আছমা বেগম। ভিক্ষাবৃত্তি করতে নারাজ আছমা। সন্তানদের লালন পালন করার জন্য সংগ্রামী হয়ে ওঠে আছমা। এলাকার বিভিন্ন বাঁশঝাঁড় থেকে শুকনা খড়ি সংগ্রহ করে তা বাজারে বিক্রি করে সংসার চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

ঢাকা, সোমবার, মে ১, ২০১৭ (বিডিলাইভ২৪) // এস আর এই লেখাটি ১১৯২ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন