সর্বশেষ
শনিবার ৭ই আশ্বিন ১৪২৫ | ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮

বৃটেনে টিউলিপ ছিদ্দিকই আমার পছন্দের প্রার্থী

বৃহস্পতিবার, মে ৪, ২০১৭

2019051723_1493918597.jpg
বিডিলাইভ রিপোর্ট :
বিলেতে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত একজন স্মার্ট শিক্ষিত হাস্যজ্জ্বল সম্ভাবনাময়ী রাজনীতিবিদের নাম টিউলিপ সিদ্দিক।

আগামী ৮ জুন ২০১৭ ইং বৃটেনের মধ্যবর্তী সাধারণ নির্বাচনে আবারও প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এই ব্রিটিশ এমপি।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাতনি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বোনের মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিক। তিনি ২০১৫ সাধারণ নির্বাচনে লেবার পার্টির প্রার্থী হয়ে লন্ডনের হ্যামস্টেড অ্যান্ড কিলবার্ন আসন থেকে পার্লামেন্ট সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

এর পূর্বে টিউলিপ রিজেন্ট পার্কের কাউন্সিলর এবং ২০১০ সালে ক্যামডেন কাউন্সিলের কালচার অ্যান্ড কমিউনিটির সদস্য ছিলেন।

টিউলিপ সিদ্দিক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ লেবার পার্টির একজন প্রতিভাবান সম্ভাবনাময়ী রাজনীতিবিদ। তিনি ১৯৮২ সালে লন্ডনের মিচামে জন্মগ্রহণ করেন। ইংরেজি সাহিত্য এবং রাজনীতি, নীতি ও সরকার- এ দুটি বিষয়ে লন্ডনস্থ কিংস কলেজ থেকে পৃথকভাবে মাস্টার্স ডিগ্রি সম্পন্ন করেন।

টিউলিপ রেজওয়ান সিদ্দিক বৃটেনের বিরোধী দল লেবার পার্টির ছায়া মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার মধ্যদিয়ে বৃটিশ রাজনীতিতে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নারী রাজনীতিবিদদের অবস্থান আরো দৃঢ় হয় যা বাঙালিদের জন্য ছিল পরম গৌরবের।

লেবার পার্টির দলীয় নেতা জেরেমি করবিন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বৃটিশ এমপি টিউলিপ ছিদ্দিককে জুনিয়র সদস্য হিসেবে তার ছায়া মন্ত্রিসভায় লেবার পার্টির ছায়া সংস্কৃতি মিডিয়া ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর প্রস্তাব দিলে টিউলিপ তা গ্রহণ করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা সেদিন বলছেন সম্ভাবনাময়ী টিউলিপ ছিদ্দিকের মাধ্যমে বৃটিশ রাজনীতিতে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নারী রাজনীতিকদের অবস্থান আরো দৃঢ় হয়েছে।
 
গত ৭মে ২০১৫ সাধারণ নির্বাচনে টিউলিপ সিদ্দিক লেবার পার্টির টিকেটে প্রথমবারের মত নির্বাচন করে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও লন্ডনের সবচেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীতাপূর্ণ ১০ আসনের একটি কিলবার্ন হ্যামস্টেড আসন থেকে বৃটিশ পার্লামেন্টে এমপি নির্বাচিত হন।

তিনি তার প্রতিদ্বন্দ্বী কনজারভেটিভ পার্টির সায়মন মার্কাসের ২২ হাজার ৮৩৯ ভোটের বিপরীতে ২৩ হাজার ৯৭৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। বাঙালিদের জন্য যা ছিল অতি আনন্দের ও গৌরবের।

আসন্ন মধ্যবর্তী সাধারণ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করার বিষয়ে টিউলিপ বলেছেন, হ্যাম্পসটেড ও কিলবার্ন এলাকার সবার জন্য কঠোর পরিশ্রম চালিয়ে যেতে চাই।

তিনি বলেন, 'আমার কাজের কেন্দ্রবিন্দুতে সব সময় স্থানীয়রাই ছিলেন'। প্রধানমন্ত্রীর সাপ্তাহিক প্রশ্নোত্তর পর্বে আমি সরাসরি ডেভিড ক্যামেরন ও থেরেসা মে’কে চ্যালেঞ্জ করেছি। যদিও অনেকেই পার্লামেন্টে পেছনে সারিতে বসে থাকতেন।

জুনিয়র ডাক্তারের সঙ্গে চুক্তি, স্থানীয় কর্তৃপক্ষের লোকবল ছাঁটাই, ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নাগরিকদের নিরাপত্তা, নারীদের সমানাধিকার ও অন্যান্য স্থানীয় বিষয় সামনে তুলে ধরেছি। চলতি বছরের শুরুতে পার্লামেন্টে ব্রেক্সিট বিলের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছিলাম। এ কারণে আমি লেবার পার্টির ছায়া মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছি।

টিউলিপ ছিদ্দিক আগামী ৮ই জুন ২০১৭ ইং তারিখে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে আবারও প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। আমাদের অর্জিত এই বিজয়/গৌরবকে অক্ষুণ্ন রাখতে আমাদের সকলকেই স্ব স্ব অবস্থান থেকে কাজ করতে হবে, নিশ্চিত করতে হবে টিউলিপ ছিদ্দিকের বিজয়।

ইতিমধ্যে রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও কমিনিউটির শীর্ষ স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ প্রিয় টিউলিপ ছিদ্দিকের বিজয় নিশ্চিতে কাজ করছেন। কথা বলছেন ভোটারদের সাথে লেবার পার্টির এই সম্ভাবনাময়ী প্রার্থীকে নিয়ে।

প্রিয় টিউলিপ ছিদ্দিকের পক্ষে আমরা আপনাদের দোয়া, ভালবাসা, পরামর্শ সর্বোপরি সমর্থন আশা করছি।

নজরুল ইসলাম
লেবার সাপোর্টার
ওয়ার্কিং ফর ন্যাশনাল হেল্থ সার্ভিস লন্ডন
মেম্বার, দি ন্যাশনাল অটিষ্টিক সোস্যাইটি ইউনাইটেড কি কিংডম

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, মে ৪, ২০১৭ (বিডিলাইভ২৪) // এ এম এই লেখাটি ৩৬৯৩ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন