সর্বশেষ
সোমবার ৫ই অগ্রহায়ণ ১৪২৫ | ১৯ নভেম্বর ২০১৮

শওকত ওসমানের ১৯ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

রবিবার, মে ১৪, ২০১৭

54578140_1494743659.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :
আজ ১৪ মে, খ্যাতিমান কথাশিল্পী শওকত ওসমানের ১৯তম মৃত্যুবার্ষিকী৷ সাহিত্যের সকল ক্ষেত্রে তিনি উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে গেছেন। মুক্তিযুদ্ধ ও ধর্মনিরপেক্ষতার পক্ষে তিনি ছিলেন এক উচ্চকিত কণ্ঠের অধিকারী।

জন্ম:
১৯১৭ সালের ২ জানুয়ারি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলায় শওকত ওসমানের জন্ম৷ শেখ আজিজুর রহমান তার আসল নাম৷ পিতা শেখ মোহাম্মদ এহিয়া, মাতা গুলজান বেগম।

শিক্ষাজীবন:
শওকত ওসমান পড়াশোনা করেছেন মক্তব, মাদ্রাসা, কলেজ ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে। তিনি কলকাতার আলিয়া মাদ্রাসায় পড়ালেখা শুরু করলেও পরবর্তীকালে সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ ও অর্থনীতি বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করেন।

কর্মজীবন:
১৯৪১ সালে শওকত ওসমান কলকাতার গভর্নমেন্ট কমার্শিয়াল কলেজে লেকচারার পদে নিযুক্ত হন। ১৯৫৮ সাল থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত ঢাকা কলেজে অধ্যাপনা করে স্বেচ্ছা অবসরে যান। চাকরি জীবনের প্রথমদিকে কিছুকাল তিনি ‘কৃষক’ পত্রিকায় সাংবাদিকতাও করেন। প্রয়াত হুমায়ুন আজাদ শওকত ওসমানকে বলতেন 'অগ্রবর্তী আধুনিক মানুষ'।

সাহিত্যকর্ম:
শওকত ওসমানের রচিত 'ক্রীতদাসের হাসি' স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে সর্বকালেই গণজাগরণের এক দিশার । এ ছাড়া তার 'জননী' উপন্যাসটি ইংরেজি ভাষায় অনূদিত হয়ে বিশ্বসাহিত্যে বিশেষ স্থান করে নিয়েছে৷

এছাড়াও সমাগম, জাহান্নাম হইতে বিদায়, দুই সৈনিক, নেকড়ে অরণ্য, আর্তনাদ, বনী আদম, রাজসাক্ষী সহ অসংখ্য উপন্যাস লিখেছেন।

সম্মাননা:
সাহিত্যকর্মে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে শওকত ওসমান আদমজী সাহিত্য পুরস্কার, বাংলা একাডেমি পুরস্কার, প্রেসিডেন্ট প্রাইড অব পারফরম্যান্স পদক, একুশে পদক, নাসিরুদ্দিন স্বর্ণপদক, মুক্তধারা পুরস্কার, মাহবুবউল্লাহ ফাউন্ডেশন পদক, ফিলিপস সাহিত্য পুরস্কার, টেনাসিস পুরস্কার ও স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার পান৷

মৃত্যু:
১৯৯৮ সালের ১৪ মে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে খ্যাতিমান এই সাহিত্যিক মৃত্যুবরণ করেন৷

ঢাকা, রবিবার, মে ১৪, ২০১৭ (বিডিলাইভ২৪) // এস আর এই লেখাটি ৬২৩ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন