সর্বশেষ
বুধবার ৭ই অগ্রহায়ণ ১৪২৫ | ২১ নভেম্বর ২০১৮

উড়ন্ত গাড়ি 'টিএফএক্স', কল্পনা যেনো বাস্তবে (ভিডিও)

বৃহস্পতিবার, জুলাই ৬, ২০১৭

1784328863_1499341318.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :
বিশ্বখ্যাত গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ভলবো এর পূর্বসূরি কোম্পানি 'গীলি' উড়ন্ত কার 'টেরিফুজিয়া' নির্মাণে সফলতা অর্জন করেছে। গাড়িকে সমতলের রাস্তা এবং অাকাশে উড়ানোর কল্পনাকে বাস্তবে রূপ দিয়েছে তারা। তাদের এই নতুর গাড়ির নাম 'টিএফএক্স'।

'টেরাফুজিয়া' রাস্তা অাইন অনুযায়ী এয়ারপ্লেন হিসেবে বিবেচিত হবে। এর রুপান্তরটি গত বছর ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রিয়েশন (FAA) অনুমোদন দিয়েছিলো। এটিকে তারা 'হাল্কা ক্রীড়া বিমান' হিসেবে অনুমোদন দেয়।

এ প্রকল্পে কতগুলো চাইনিজ অটোমোটিভ কোম্পানি অর্থ প্রদান করেছে তা জানা যায়নি। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ পদক্ষেপটি যাত্রীদের জন্য ভ্রমণের চূড়ান্ত সমাধান হতে পারে।

টেরাফুজিয়া অল্প কয়েক বছরের মধ্যে উড়তে পারবে বলে দাবি করা হয়েছিলো। গত ফেব্রুয়ারিতে সংশ্লিষ্ট কোম্পানি বলেছিলো, দুই বছরের মধ্যে এটি প্রোটোটাইপ গাড়ি হিসেবে আসতে পারে এবং সাধারণ ভাবে বাজারে আসতে আট বছর লাগতে পারে। এর কয়েকমাস পরই গত মাসে টেরিফুজিয়াকে গাড়ি হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়।  

এটির ওজন ও গতিসীমা জানার পর ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রিয়েশন এটিকে হাল্কা ক্রিড়া উড়ন্ত গাড়ি হিসেবে অনুমোদন দেয়।

টিএফ-এক্স এর মূল বৈশিষ্ট্য:
# এ গাড়ির গতি হবে ঘন্টায় সর্বোচ্চ ২০০ মাইল বা ৩২২ কিলোমিটার। এটি উড়তে পারবে সর্বোচ্চ ৫০০ মাইল বা ৮০৫ কিলোমিটার পর্যন্ত।

# দুটি ইলেকট্রনিক মোটরের মাধ্যমে এটি ডানা খুলতে এবং বন্ধ করতে পারবে।

# টিএফএক্স একটি অনুভূমিক থেকে একটি অনুভূমিক অবস্থান নিতে পারবে। এটি একটি ৩০০ এইচপি ইঞ্জিন দ্বারা চালিত হবে।

# চারজনের জন্য তৈরি এ গাড়িতে সেমি-অটোমাম সিস্টেম রয়েছে এবং কম্পিউটার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। যে কারণে যাত্রী গাড়িতে বসার পর তার যাত্রার স্থান টাইপ করে দিলেই সেটি চলতে থাকবে।

# এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে এয়ার ট্রাফিক, খারাপ আবহাওয়া এবং নিয়ন্ত্রিত আকাশসীমা এড়িয়ে চলতে সক্ষম।
# টিএফএক্স তার ইঞ্জিনের ব্যাটারি ইলেক্ট্রিক কার চার্জিং স্টেশন থেকে চার্জ করতে পারবে।

টেরিফুজিয়ার এ রুপান্তরের পরিকল্পনা এবং কাজ শুরু হয়েছিলো ২০০৬ সালে এবং উড়ন্ত গাড়ির রুপ দেয়ার পরিকল্পনা হয় ২০০৯ সালে। এরপর দ্বীতিয় প্রজন্মের গাড়ি হিসেবে তার সংস্কারের কাজ শরু হয় ২০১২ সালে। সর্বশেষ তৃতীয় প্রজন্মের গাড়ি হিসেবে এটিকে আবারো তৈরি করার কাজ শুরু হয় ২০১৬-১৭ সালে। নাম দেয়া হয় 'টিএফএক্স'।

এটি বাজারে আসলে তা গাড়ি জগতে আলোড়ন ফেলবে নি:সন্দেহে। এর গতি, উড়ন্ত এবং ল্যান্ড করার ক্ষমতা যে কাউকে আকর্ষণ করবে। ব্যয়বহুল এ গাড়িটি যোগাযোগ ব্যবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তন আনবে এমনটাই বিশ্বাস সংশ্লিষ্টদের।

সূত্র: ডেইলি মেইল



ঢাকা, বৃহস্পতিবার, জুলাই ৬, ২০১৭ (বিডিলাইভ২৪) // কে এইচ এই লেখাটি ৯০৩ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন