সর্বশেষ
মঙ্গলবার ১০ই আশ্বিন ১৪২৫ | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮

টয়লেটে 'ভ্রুণ' হত্যায় মায়ের ৩০ বছরের জেল

মঙ্গলবার, জুলাই ১১, ২০১৭

356207183_1499765463.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :
মধ্য আমেরিকার দেশ এল সালভারদের একটি আদালত এক কিশোরি মা শৌচাগারে সন্তান প্রসব করায় তাকে ৩০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে।

আদালত বলছে, ওই কিশোরি ইচ্ছাকৃতভাবে টয়লেটে গিয়ে তার গর্ভপাত ঘটায় যা ইচ্ছাকৃত নরহত্যার সমান অপরাধ।

তবে ইভেলিন বিটরিজ হার্নান্দেজ নামের ওই কিশোরি বলেছে, সে জানতো না যে গর্ভবতী হয়েছে। সে ইচ্ছাকৃতভাবে তার গর্ভে থাকা ভ্রূণকে হত্যা করেনি।

আদালতে হার্নান্দেজ বলে, আমি কখনই আমার ছেলেকে হত্যা করতে চাইনি।

তার আইনজীবী বলছে, কিছুদিন আগে সে ধর্ষণের শিকার হয়। আর সে কারণেই সে গর্ভধারণ করে। কিন্তু লজ্জার কারণে সেকথা কাউকে বলেনি।

তবে মধ্য আমেরিকার এই দেশটিতে ভ্রুণ হত্যা বা গর্ভপাত পুরোপুরি নিষিদ্ধ। দেশটির আইনে তা নরহত্যার সমান অপরাধ। এই অপরাধে দেশটি অসংখ্য নারীকে কারাদণ্ড দিয়েছে।

বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, গত বছরের এপ্রিল মাসে দেশটির এক গ্রামীণ এলাকায় হার্নান্দেজ তাদের বাড়ির টয়লেটে এক মৃত শিশুর প্রসব করে। করে মৃত শিশুটি কিছু প্রত্যাঙ্গ তার শরীরের ভেতরে থেকে যায়। এদিকে এই সময় প্রচুর রক্তপাত দেখে সে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরে তাকে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়।

এরপরই তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে ভ্রুণ হত্যার। ওই ঘটনার ১১দিন পরে প্রথম শুনানি হয় আদালতে। সেই শুনানিতে তাকে ৩০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

তবে তার এই কাজটি পুরোপুরিভাবে গর্ভপাত প্রমাণীত না হওয়ায় তার সাজা কম হয়েছে বলে খবরে বলা হয়েছে। এই অপরাধ প্রমাণীত হলে তার মৃত্যুদণ্ড হতে পারত।

ঢাকা, মঙ্গলবার, জুলাই ১১, ২০১৭ (বিডিলাইভ২৪) // আর এ এই লেখাটি ১২৯ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন