সর্বশেষ
শুক্রবার ৬ই আশ্বিন ১৪২৫ | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮

ফ্যাশনের নতুন বৈচিত্র্য এনেছে ‘কটি’

সোমবার, জুলাই ২৪, ২০১৭

1675712622_1500875498.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :
পোশাকে স্টাইলিশ লুক ফুটিয়ে তোলার জন্য আজকাল তরুণীরা নানা রকম জামা-কাপড় পরে থাকেন। পোশাকে একটু বৈচিত্র্য আনার চেষ্টা থাকে সব তরুণীদের। আধুনিক ফ্যাশনে বিভিন্ন ডিজাইনের পাশাপাশি পোশাকে ভিন্নতা আনতে তরুণীরা এখন পরছে কটি।

পাশ্চাত্যে কটি পরা হতো স্যুটের সাথে। কটির শুরুটা পাশ্চাত্য থেকে হলেও জমকালো রঙ, হাতের কাজ এবং বিভিন্ন দেশীয় ডিজাইন রেখে অনেক পরে তৈরি করা হয় কটি। যা পরবর্তীতে ভারতীয় এবং পরে বাঙ্গালিরা সাজগোজে ভিন্নতা আনতে পরে থাকেন। সেই চল এখন আবার শুরু হয়েছে।

বর্তমানে বিশেষ করে ভারতীয় রাজস্থানী কারুকার্যে করা কটি পরে থাকেন সবাই। এই কাজ এখনকার তরুণীদের সব থেকে প্রিয়। কেননা এই কারুকার্যে থাকে বিভিন্ন রঙিন সুতোর হাতের কাজ বা এমব্রয়ডারি কাজ। এই কাজ সাধারণত খুব ঘন করে করা হয়। কটির কাজ ঘন না হলে পোশাকের সাথে তার রঙ ফুটে উঠে না।

ঘন কাজ করা কটি অনেকে পরতে স্বস্তি বোধ করেন না। আবার ঘন কাজ করা কটি শুধু এক কালারের বা হালকা কাজের টপস বা কামিজের সাথেই মানায়। সে ক্ষেত্রে কাতানের কাপড়ের তৈরি কটি ব্যবহার করতে পারেন।

বেশি হালকা কাপড়ে কটি বানালে সেটা গায়ের সাথে কটির কাটিং অনুযায়ী ঠিকমতো থাকবে না। তাই নিচে আস্তর অবশ্যই দিতে হবে।

রেডিমেড কটির থেকে কটি বানিয়ে নেয়াই ভালো। এতে আপনি আপনার মনের মতো করে কটি বানিয়ে নিতে পারবেন। আবার আপনার পছন্দের মতো আরামদায়ক কাপড় দিয়ে বানাতে পারবেন।

সুতির পাশাপাশি হাফসিল্ক, কোটা কাপড়ের কটিও বেশ আরামদায়ক। তবে ফুলহাতা, হাতাকাটা বা হাফহাতা কটি যেকোন ডিজাইনে বানাতে পারেন। সাথে দিতে পারেন জর্জেট হাতা। এটা পোশাকে বেশ আকর্ষণীয় লুক এনে দিবে।

কটি অনেক রকমের ডিজাইনের হতে পারে। বোতাম দেয়া, হাই নেক, ভিন্ন গলার ডিজাইন, লং কটি, সর্ট কটি, পাইপিং বা লেইস দেয়া কটি আবার আলাদা কটি পরা ছাড়াও কামিজ বা টপসের সাথে লাগানো কটিও পরে থাকছেন অনেকে।

ঢাকা, সোমবার, জুলাই ২৪, ২০১৭ (বিডিলাইভ২৪) // এস আর এই লেখাটি ১৮৫৮ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন