সর্বশেষ
মঙ্গলবার ১০ই আশ্বিন ১৪২৫ | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮

ফোক সম্রাজ্ঞী মমতাজ সবার শিল্পী

শুক্রবার, জুলাই ২৮, ২০১৭

1414874225_1501182566.jpg
বিনোদন ডেস্ক :
জনপ্রিয় বাংলা লোকগানের সংগীত শিল্পী মমতাজ। ভিন্ন ধারার গান পরিবেশনের কারণে মিউজিক কুইন বা সুর সম্রাজ্ঞী বা ফোক সম্রাজ্ঞী হিসেবে পরিচিত তিনি।

গত মঙ্গলবার মুক্তি পেয়েছে ভয়ংকর সুন্দর সিনেমার অডিও অ্যালবাম। এই সিনেমার একটি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন সংগীতশিল্পী মমতাজ। পাশাপাশি আরও কিছু নতুন গান নিয়ে কাজ করছেন এই শিল্পী। বর্তমান সময়ের গান নিয়ে আলাপ হলো তার সঙ্গে।

‘ভয়ংকর সুন্দর’ ছবির ‘ফিরব না আর ঘরে’ গানটি থেকে কেমন সাড়া পাচ্ছেন?

গানটি প্রকাশের পর থেকে সবাই প্রশংসা করছেন। এই গানের মধ্য দিয়ে সুরকার প্রিন্স মাহমুদ আর গীতিকার আসিফ ইকবালের সঙ্গে প্রথম কাজ করা হলো। তাই এই গান নিয়ে আমার অভিজ্ঞতাটা খুব ভালো।

আপনি তো ইদানীং তরুণ সুরকার-গীতিকারদের সঙ্গেও প্রচুর কাজ করছেন...

আমি সব সময়ই নতুন কিছু করায় বিশ্বাসী। যখন থেকে গান গাই, তখন থেকেই আমার এই বিশ্বাস। যখন একতারা, বেহালা, বাঁশি দিয়ে লাইভ গান রেকর্ড করতাম, তখন আমার একধরনের শ্রোতা ছিলেন। ওই সময়ের গীতিকার-সুরকারেরা বলতেন, ‘এটার মধ্যেই থাকো। বের হইয়ো না।’ আমি কিন্তু ওখান থেকে বের হয়ে মডার্ন বাদ্যযন্ত্রের সঙ্গে ফোক গান গেয়েছি। আমি মনে করি, তরুণ প্রজন্মের মতো করে, তাদের পছন্দের বাদ্যযন্ত্রের সঙ্গে মিলিয়ে গান গাইতে না পারলে তারা শুনবে না।

দেশে তো নানা ধরনের শ্রোতা আছেন, নানা ধরনের শিল্পীও আছেন। মমতাজ কাদের শিল্পী?

আমি বিশ্বাস করি, মমতাজ সবার শিল্পী। সব ধরনের শ্রোতাই মমতাজের গান শোনেন। আমি যদি এখন কোনো অনুষ্ঠানে গান গাইতে যাই, বিচ্ছেদ, বৈঠকি এবং আধ্যাত্মিক গান দিয়ে শুরু করি। তারপর মধ্যবয়সী, যাঁরা মজার গান শুনতে চান, তাঁদের জন্য গান করি। শেষ দিকে তরুণদের পছন্দের গান গাই। এমন হয়েছে, কনসার্টে গান গাইতে গিয়েছি, তখন বাবা-মা এসে বলেন, ‘আমার বাচ্চাকে আপনার “লোকাল বাস” গান শুনিয়ে খাওয়াতে হয়!’

কিন্তু এর মধ্যেই তো অনেকে অভিযোগ করেন, মমতাজের এই গান বা ওই গানটা গাওয়া উচিত হয়নি।

অভিযোগ কিছুটা সত্যি। একটা সময় ছিল যখন অডিও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানগুলো দেখত যে মমতাজকে দিয়ে কিছু গাওয়ালেই হিট, তখন যেনতেন গান আমাকে দিয়ে গাইয়ে নিত। আবার হয়তো গানের কথা ও সুর সুন্দর, কিন্তু চলচ্চিত্রে উপস্থাপন করা হয়েছে বাজেভাবে। এতে গানের অর্থ আর মর্ম পুরো পাল্টে গেছে। এমনও হয়েছে, অ্যালবামের প্রচ্ছদে আমার ছবি, কিন্তু ভেতরে অন্য কারও গান। এ ধরনের ঘটনা অহরহ ঘটেছে। এখন কিন্তু সেই অবস্থা নেই। এখন অনেক বুঝেশুনে গান করি।

কোন জীবনটা উপভোগ করেন, সংগীতশিল্পীর, নাকি সাংসদের?

অবশ্যই সংগীতশিল্পীর। এটাই আমার মূল জায়গা। এখন সুযোগ পেয়েছি সাংসদ হিসেবে মানুষের সেবা করার। তাই করছি। সাংসদ না থাকলেও সেবা করে যাব, ইনশা আল্লাহ। সূত্র: প্রথম আলো।

ঢাকা, শুক্রবার, জুলাই ২৮, ২০১৭ (বিডিলাইভ২৪) // জেড ইউ এই লেখাটি ৮৮১ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন