সর্বশেষ
মঙ্গলবার ১০ই আশ্বিন ১৪২৫ | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮

এপিজে আবদুল কালাম'র আত্মজীবনী 'অগ্নিপক্ষ'

মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৭

102305672_1505805875.png
বিডিলাইভ ডেস্ক :
ভারতীয় বিজ্ঞানী এপিজে আবদুল কালাম এর আত্মজীবনী 'উইংস অব ফায়ার' এর বাংলা অনুবাদ 'অগ্নিপক্ষ'। মাত্র ২০২ পৃষ্ঠার বইটি যারা পড়েছেন তাদের জন্য নতুন করে বলার কিছু নেই। কিন্তু যারা বইটি পড়েননি তাদের জন্য কিছু কথা।

কিছু কিছু সাহসী মানুষের জীবনকথা কখনও কখনও ইতিহাসের পাতায় লেখা হয়নি ঠিকই, কিন্তও এসব নীরব মানুষই তাদের কঠোর পরিশ্রম দিয়ে জাতির প্রগতিকে কয়েক প্রজন্ম এগিয়ে দিয়েছেন।

কাহিনী সংক্ষেপ:
অগ্নিপক্ষ এমন একজন মানুষের জীবন কাহিনী, যার নামের সঙ্গে আজ ভারতের জনসাধারণ এবং পৃথিবীর তাবৎ নাগরিক পরিচিত।

এই মানুষটির প্রাণশক্তি প্ৰচণ্ড, চিন্তার জগৎ বহুব্যাপ্ত। সব সময়েই যে তার সব কথা সহজেই বোঝা যায় তা নয়, কিন্তু তার কথা প্রতিনিয়ত সতেজ ও সজীব। প্রতি মুহুর্তে নবীন, উদ্দীপ্ত। আবার তা বিচিত্র, বহুবৰ্ণে বর্ণময়।

ভারতবাসীর প্রতি এই মানুষটির ভালবাসা অপরিসীম। যারা সবচেয়ে নীচের তলার মানুষ, সবচেয়ে সরলপ্রাণ, তাদের প্রতি এক স্বাভাবিক সাযুজ্য বোধ করেন তিনি। কেননা নিজেকে তিনি তাদেরই একজন মনে করেন।

তবু নিজের জীবনকথা আপামর মানুষের কাছে বলবেন কিনা এ নিয়ে তিনি দ্বিধাগ্ৰস্ত ছিলেন। কেননা, ছোট্ট একটি শহরের বালকের দুঃখ-কষ্ট, বাধা-বিঘ্ন, উত্তরণ, সাফল্য ইত্যাদি সম্পর্কে জানতে মানুষ আগ্রহী হবে কেন?

বিদ্যালয় জীবনের দিনগুলিতে তীব্র আর্থিক অনটন, কলেজ-জীবনে অর্থাভাবে সেই মানুষটির নিরামিষাশীর জীবন বেছে নেওয়ার ইতিহাস জেনে মানুষের কী লাভ?

দ্বিধাদ্বন্দ্বের দোলাচলে অস্থির হয়েও সেই মানুষটির মনে হয়েছিল, কোনও ব্যক্তির জীবন এবং যে সামাজিক বিন্যাসের মধ্যে সে-জীবন বিধৃত- এই দুইকে আলাদা করে দেখা যায় না। এই সত্যটি উপলব্ধি করার পর তার মনে হল, বাবার ইচ্ছানুযায়ী কালেকটর না হয়ে, বিমানবাহিনীর বিমানচালক না হয়ে, কী করে তিনি ক্ষেপণাস্ত্র যন্ত্রবিদ হলেন, সেই জীবনের ইতিহাস মানুষকে হয়তো বলা যায়।

বলা যায় তাদের কথাও, যাদের গভীর প্রভাবে ও প্রেরণায় গড়ে উঠেছে তার জীবন, সফল হয়েছে তার আকাঙ্ক্ষা-প্ৰত্যাশা-স্বপ্ন।

এই প্রত্যয়ে স্থিত হয়ে তিনি তার জীবনের এক একটি পৃষ্ঠা মানুষের সামনে মেলে ধরলেন। হয়তো এই গ্ৰন্থ মানুষটির বর্ণময় জীবনের রূপরেখা মাত্র। তবু এই জীবনকথা এক তীর্থযাত্রা। তার অন্তঃস্থিত 'ঐশ্বরিক অগ্নি'-র ডানা মেলে আকাশের বুকে উড়ে যাওয়ার আশ্চৰ্য বৃত্তান্ত।

আবার এ শুধু তার ব্যক্তিগত সাফল্য ও দুঃখ দুর্দশার কাহিনী নয়। যে আধুনিক ভারত এখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে সামনের সারিতে স্থান লাভের জন্য সংগ্ৰাম করছে, তার নানা সফলতা এবং অসফলতার দলিলও এই বই।

ঢাকা, মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৭ (বিডিলাইভ২৪) // এস আর এই লেখাটি ২৩০ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন