সর্বশেষ
বুধবার ৪ঠা আশ্বিন ১৪২৫ | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮

সিরাতে রাসুলুল্লাহ (সা.), মহানবীর প্রথম বিশদ জীবনী

রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৭

1513370746_1506238308.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :
সিরাতে রাসুলুল্লাহ (সা.), প্রথমা প্রকাশনী থেকে সদ্যই প্রকাশিত হয়েছে মহামূল্যবান এই বইটি। বইটির বাংলায় অনুবাদ করেছেন শহীদ আখন্দ।

সিরাতে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বইটির লেখক ইবনে ইসহাককে ইতিহাসে অমরত্ব এনে দিয়েছে। ইসলাম ধর্ম এবং মহানবী (সাঃ) ও সে সময়ের আরবের ইতিহাস জানার জন্য সারা পৃথিবীর নিবেদিত প্ৰাণ ধর্মানুসারী থেকে নিষ্ঠাবান গবেষক পর্যন্ত সবাই এ বইয়ের কাছে ফিরে ফিরে এসেছেন।

অসংখ্য ধর্মীয় ও গবেষণাগ্রন্থের মধ্য দিয়ে নানা ভাষায় এ বইয়ের উদ্ধৃতি ও বিশ্লেষণ পৃথিবীর কোনায় কোনায় ছড়িয়ে পড়েছে। মহানবী (সাঃ) এর শাহাদতের পর লেখা এটিই তার প্রথম বিশদ জীবনী। কিন্তু বইটি আরও নানা কারণে অনন্য।

ইবনে ইসহাকের জন্ম ৭০৪ খ্রিষ্টাব্দে। ৬৩২ খ্রিষ্টাব্দে হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর শাহাদাতের ৭২ বছর পরে। অর্থাৎ, মহানবীর (সাঃ) শাহাদাতের এক শতাব্দীর কাছাকাছি কোনাে সময়ে তার এই জীবনী রচিত হয়।

ইসলামের অভ্যুদয়ের ঘটনা তখনাে খুব দূরের নয়। আরবে মহানবীর (সাঃ) স্মৃতিও সজীব। ধৰ্মচর্চার অংশ হিসেবে তাে বটেই, জীবনচর্চার উপাদান হিসেবেও। মহানবীর (সাঃ) স্মৃতির উত্তরাধিকারীদেরও অনেকে গত হয়েছেন কি হননি। এই বিপুল সজীব স্মৃতি ছিল ইবনে ইসহাকের হাতের নাগালে।

ইবনে ইসহাকের সুবিখ্যাত এই বই হারিয়ে গিয়েছিল। সৌভাগ্যক্রমে তার দুজন শিষ্যের কাছে এর দুটাে ছিন্ন কপি থেকে যায়। বহু পরে সুপণ্ডিত ইবনে হিশাম এর পাণ্ডুলিপি পরিমার্জনা করেন। আরেক ইতিহাসবিদ আল তাবারি বইটি কিছু লুপ্ত অংশ উদ্ধার করেন।

ইসলাম ও মহানবীর (সা.) জীবন সম্পর্কে আগ্রহী ধাৰ্মিক ও গবেষকেরা এ বিষয়ে তথ্যের অন্যতম প্রধান উৎস হিসেবে ইবনে ইসহাকের বইটি শত বছর ধরে ব্যবহার করে আসছেন।

ঢাকা, রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৭ (বিডিলাইভ২৪) // এস আর এই লেখাটি ৮৬৯ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন