সর্বশেষ
সোমবার ১১ই চৈত্র ১৪২৫ | ২৫ মার্চ ২০১৯

ঘরে মাছ চাষ, উৎপাদন বেশি পুকুরের চেয়েও

সোমবার, অক্টোবর ২, ২০১৭

603910425_1506946978.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :
বিশ্বে প্রতি বছর প্রায় ১০ কোটি টন মাছের প্রয়োজন হয়৷ প্রয়োজনের তুলনায় উৎপাদন কমে আসছে। অতিরিক্ত মাছ ধরার ফলে সমুদ্রেও মাছ কমে যাচ্ছে। আর এই সমস্যা কাটাতে জার্মান গবেষকরা অ্যাকোয়াকালচারে টেকসই পদ্ধতিতে মাছ চাষের মাধ্যমে নতুন দিশা দেখাচ্ছেন৷

পুকুরে যেখানে প্রতি ঘনমিটার পানিতে মাছের উৎপাদন মাত্র এক থেকে দুই কেজি, সেখানে ঘরের মধ্যে চাষে উৎপাদন ৬০ কেজি পর্যন্ত! শুনে হয়তো অভাক লাগছে। কিন্তু আধুনিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে চাষাবাদে এসেছে এই সফলতা।

স্বল্প জমি, অল্প পানিতে মাছের উৎপাদন হচ্ছে অন্তত ২৫ গুণ। বছরে ১০ টন শিং-মাগুর মাছ উৎপাদনের জন্য অন্তত ১০ বিঘা পুকুর প্রয়োজন। এ প্রযুক্তিতে মাত্র ৬-৭ কাঠা জমিতে সে পরিমাণ মাছ উৎপাদন সম্ভব।

কৃষিবিজ্ঞানী প্রো. কার্স্টেন শুলৎস বলেন, বিশ্বে বেড়ে চলা জনসংখ্যার কারণে মাছের চাহিদাও বাড়ছে। শুধু মাছ ধরে সেই চাহিদা মেটানো যাবে না৷ এর জন্য অ্যাকোয়াকালচারে উৎপাদন আরও বাড়াতে হবে৷ এভাবে আমরা মাছের জোগান বাড়াতে পারি।

কৃত্রিম ব্রিডিং বা প্রতিপালনের মাধ্যমে সেই ঘাটতি পূরণ করার চেষ্টা করছেন বিজ্ঞানীরা। তবে তাদের মাছ পালনের প্রক্রিয়া কতটা সফল তা এখনো স্পষ্ট নয়৷ জার্মানির এক গবেষণা কেন্দ্রে এ সংক্রান্ত সব প্রশ্নের উত্তর খোঁজা হচ্ছে৷ বিজ্ঞানীরা সেখানে মিষ্টি ও লবণাক্ত পানির মাছের প্রতিপালন ঘটাতে কাজ করছে৷

ঢাকা, সোমবার, অক্টোবর ২, ২০১৭ (বিডিলাইভ২৪) // আর এ এই লেখাটি ১৪৭৪ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন