সর্বশেষ
বৃহঃস্পতিবার ১লা অগ্রহায়ণ ১৪২৫ | ১৫ নভেম্বর ২০১৮

ভুল শেভের কারণে সৌন্দর্য হানি ঘটে পুরুষের

বুধবার, অক্টোবর ১৮, ২০১৭

283838139_1508324770.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :
বর্তমানে পুরুষেরা সৌন্দর্য চর্চায় নারীদের তুলনায় কোনো অংশে কম নয়। তাদের সৌন্দর্য বৃদ্ধির অন্যতম একটি বিষয় নিয়মিত দাড়ি কাটানো। আর এই শেভ করতে গিয়ে বাঁধে বিপত্তি। কারণ শেভ করার পর গালে জ্বালাভাব অনুভব করেন বেশির ভাগ পুরুষ। এছাড়াও গাল কেটে যাওয়া ও ব্রণ ওঠার সমস্যা থাকে। তবে একটু সাবধান হলেই এসব সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়। যেসব পুরুষ ঘরে শেভ করেন তাদের অন্তত ধারালো রেজার ব্যবহারের পাশাপাশি ত্বক নরম করে দাড়ি কামালে সমস্যা কমে যাবে।

ত্বক পরির্যা-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে দাড়ি কামানোর কৌশল নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে কয়েকটি পন্থা আজ পাঠকদের জন্য দেয়া হল। দেখে নিন দাড়ি শেভের আগেযসব বিসয়ে সচেতন হতে হবে।

কাটাছেঁড়া :
শেভ করার পর চেহারা দেখে সদ্য যুদ্ধ ফেরত যোদ্ধা মনে হোক এমনটা চান না কেউ। রেজারের ব্লেড ভোঁতা হলে কিংবা নতুন ব্লেড প্রথমবার ব্যবহারের সময় অসাবধানতায় গাল কেটে যেতে পারে।

তাই নতুন ব্লেড ব্যবহারের সময় গালের উপর দিয়ে আলতোভাবে টানতে হবে। বেশি চাপ দেয়া যাবেনা, নইলে চামড়া, এমনকি মাংস কেটে চলে আসতে পারে।

জ্বালাভাব :
দাড়ি শেভের পর গালে লালচে দাগ আর জ্বালাবোধ অনুভব করেন বেশির ভাগ পুরুষেরা। এর প্রধান কারণ- পুরানো ভোঁতা ব্লেড ব্যবহার, শুষ্ক ত্বকে শেভ করা, রেজার গালে দ্রুত কিংবা জোরে চেপে চেপে টানা।

শেভ করার আগে গালের ত্বক নরম করে নিতে হবে। এজন্য ব্যবহার করতে হবে ভালো মানের শেভিং অয়েল, ফোম বা জেল। শেভ করা শেষে ত্বক আর্দ্র রাখে এমন ‘আফটার শেভ লোশন’ ব্যবহার করতে হবে। আর শেভ করতে ব্যবহার করতে হবে ধারালো ব্লেডের রেজার।

ত্বকের ভেতরে গজানো লোম :
শেভ করার সময় দাড়ি সঠিকভাবে কাটা না পড়লে তা অনেক সময় ত্বকের ভেতরেই বড় হতে থাকে। ভুলেও চিমটা দিয়ে ওই লোম তুলবেন না। শেভ করার সময় চামড়া টানটান করা উচিত নয়। আর দাড়ি বা লোম যেদিকে বাড়ছে সেদিকে ব্লেড চালান, উল্টা ব্লেড চালানো উচিত নয়। গোসলের পর শেভ করা ভালো। কারণ গোসলের পর মুখের লোমকূপ বেশ নরম থাকে।

এছাড়াও শেভ করার আগে ত্বকে চক্রাকারে প্রাকৃতিক ‘এক্সফোলিয়েন্ট’ মেখে নিতে পারেন। এতে দাড়ি বা লোমগুলো বাইরে বের হয়ে আসবে।

রেজার থেকে ব্রণ :
দাড়ি কাটার সময় কোঁকড়ানো বা মোটা লোম ‘ফলিকল’ বা লোমকূপে আঘাত করলে এই সমস্যা দেখা দেয়।

শেভ করার পরপরই স্বাধারণত দাড়ি বাড়তে শুরু করে। এই বৃদ্ধির সময় মোটা বা কোঁকড়ানো লোম, লোমকূপে চেপে বসতে বা খোঁচা দিতে পারে। পরিস্থিতি মারাত্বক হলে আক্রান্ত অংশে পুঁজ হয়ে ব্রণ হতে পারে।

প্রসাধনী ব্যবহারে সচেতনেতা :
অ্যালকোহল আছে এমন প্রসাধনী ব্যবহার করা যাবে না কারণ এটি ত্বক শুষ্ক করে দেয় এবং জ্বালা করে। শেভ করার পর ‘এক্সফোলিয়েট’ করে এবং ‘স্যালিসাইলিক অ্যাসিড’ আছে এমন প্রসাধনী ব্যবহার করা উচিত।   

সেলুনে শেভ থেকে ফুসকুড়ি :
ত্বকে র‌্যাশ, ব্রণ, চুলকানি ইত্যাদি হওয়ার আশঙ্কা কয়েকগুণ বেশি থাকে বাসায় না করে সেলুনে শেভ করলে। কারণ সেখানে একই তোয়ালে ও রেজার দিয়ে অনেকের ত্বকে লাগানো হয়।

তবে সবচাইতে বিপজ্জনক হলো সেলুনে শেভ করার সময় চামড়া কেটে গেলে। কারণ সেখানে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হওয়ার সম্ভাবনা অনেক। তবে শেইভ করার আগে রেজারটা যেন গরম পানিতে ধুয়ে নেয় সেদিকে নিশ্চত হতে হবে। আর সবশেষে ‘আফটার শেভ লোশন’ মাখিয়ে লোপকূপ বন্ধ করে দিতে হবে।

ঢাকা, বুধবার, অক্টোবর ১৮, ২০১৭ (বিডিলাইভ২৪) // জে এস এই লেখাটি ২৮৭ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন