সর্বশেষ
বুধবার ৪ঠা আশ্বিন ১৪২৫ | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮

'ভোলগা থেকে গঙ্গা'

শনিবার, অক্টোবর ২৮, ২০১৭

1334013546_1509168268.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :
'ভোলগা থেকে গঙ্গা' রাহুল সাংকৃত্যায়ন এর ২০টি ছোট গল্পের সংকলন। বইটি ১৯৪৪ সালে হিন্দী ভাষায় 'ভোল্গা সে গঙ্গা' নামে প্রথম প্রকাশিত হয়।

প্রকাশের পর ভারতের হিন্দীভাষী প্রায় সমস্ত অঞ্চল হতে তীব্র বিরোধিতার সম্মুখীন হয়েছিলেন লেখক। এ কারণে এটিকে বিতর্কিত রচনাও বলা যায়। 'কনৈলা কী কথা' এ গ্রন্থের পরের পর্ব।

১৯৫৪ সালে প্রথম বাংলা অনুবাদ প্রকাশিত হয় 'মিত্রালয়' থেকে। গ্রন্থটির শিরোনাম অনুবাদ করা হয়েছিলো আক্ষরিক অর্থে, এবং তা ছিলো- 'ভোলগা থেকে গঙ্গা'।

'ভোল্গা সে গঙ্গা'র শেষ কাহিনীটি বাদ দিয়ে প্রকাশক গৌরীশঙ্কর ভট্টাচার্য বইটি প্রকাশ করেন। পরে স্বতন্ত্র ভাবে সবকটি কাহিনী সহকারে একই নামে এর নতুন সংস্করণ বের হয়।

গল্পের ভাবার্থ:
'ভোল্গা সে গঙ্গা' গ্রন্থখানি ২০টি ছোট গল্পের সমাহার। এই ছোটো ছোটো গল্প বা কাহিনীগুলো নিছক কল্পনা প্রসূত নয়, সমাজবিকাশের বিভিন্ন পর্যায়ের দিকে লক্ষ্য রেখে গল্পগুলো ধারাবাহিক ভাবে রচিত হয়েছে।

ইতিহাস আর সমাজবিজ্ঞান এর মূলতত্ত্বকে সর্বত্রই মেনে চলা হয়েছে। প্রায় ৬০০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে ভোলগা নদীর তীরে যে মানবগোষ্ঠী পরিবার স্থাপন করেছিলো, তাদেরই আবাস ও জীবন নিয়ে রচিত হয়েছে প্রথম গল্পটির দৃশ্যপট। ক্রমে সেই মানুষ মধ্য ভলগাতটে অগ্রসর হয়ে মধ্য এশিয়া অতিক্রম করেছিলো। উত্তর কুরু, তাজিকিস্তান পেরিয়ে একসময় সমগ্র গান্ধার এলাকা জুড়ে বসতি স্থাপন করেছিলো এই আর্যরা।

ইতিহাসের এই ধারায় বিংশ শতাব্দীতে পৌঁছে সমাপ্ত হয়েছে গ্রন্থটির আখ্যান। এই ধারাবাহিকতা নিয়েই রচিত হয়েছে প্রতিটি গল্পের দৃশ্যপট।

ঢাকা, শনিবার, অক্টোবর ২৮, ২০১৭ (বিডিলাইভ২৪) // এস আর এই লেখাটি ১৪৭ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন