সর্বশেষ
শনিবার ৩রা ভাদ্র ১৪২৫ | ১৮ আগস্ট ২০১৮

ফের চট্টগ্রামে উড়ন্ত চক্ষু হাসপাতাল

শুক্রবার, নভেম্বর ১৭, ২০১৭

957375323_1510908035.jpg
চট্টগ্রাম ব্যুরো :
'দৃষ্টি সবার অধিকার' স্লোগানে এ অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে মানবসেবার মহান দায়িত্ব নিয়ে আত্মপ্রকাশ হয়েছিল অরবিস ইন্টারন্যাশনাল। ৯২টি দেশে পরিহার যোগ্য অন্ধত্ব নিবারণ ও দৃষ্টি সুরক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশে আবারো আসলো বিশ্বের একমাত্র উড়ন্ত চক্ষু হাসপাতাল অরবিস।

গতকাল বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুপুরে বিশেষায়িত বিমানটি অবতরণ করে। ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত জটিল চক্ষু রোগীদের চিকিৎসা সেবা ও প্রশিক্ষণ দিয়ে যাবে।

আজ শুক্রবার সকালে পাহাড়তলীস্থ চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ইমরান সেমিনার হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অরবিস ফ্লাইং আই হসপিটালের এ বৎসরের কার্যক্রম তুলে ধরেন।

সম্মেলনে চক্ষু হাসপাতালের ম্যানেজিং ট্রাস্টি অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন বাংলাদেশে চিকিৎসা সেবা এখন ব্যাপক উল্লেখ করে তিনি বলেন, চোখের জটিল রোগের চিকিৎসা ও চক্ষু সেবায় নিয়োজিত নার্স ও বায়োমেডিকেল টেকনিশিয়ানদের উন্নত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনবল সৃষ্টির জন্য হাসপাতালটি বিশ্বব্যাপী ব্যাপকভাবে সমাদৃত। উন্নত চক্ষু চিকিৎসা ও প্রশিক্ষণে অরবিস ইন্টারন্যাশনালের এ হাসপাতাল যোগ করেছে অনন্য মাত্রা।

তিনি আরো বলেন, এবার ৮টি বিভাগে ৩১৫ জন চক্ষু বিশেষজ্ঞ, নার্স ও বায়োমেডিকেল টেকনেশিয়ানকে প্রশিক্ষণ দেবে অরবিস। এ ছাড়া পাহাড়তলী চক্ষু হাসপাতালের মাধ্যমে চিহ্নিত ২০০ জনের চক্ষু পরীক্ষা ও ১২০ জন রোগীর চোখের অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে শিক্ষা দেওয়া হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, অরবিস ইন্টারন্যাশনালের গ্লোবাল মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. জনাথন লর্ড, ফ্লাইং আই হসপিটালের ডিরেক্টর জে বার্গিজ ও কান্ট্রি ডিরেক্টর ডা. মুনির আহমেদ।

সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আমন্ত্রণ এবং ন্যাশনাল আই কেয়ার ও চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতালের সার্বিক সহযোগিতায় হাসপাতালটি বাংলাদেশে এসেছে।

প্রসঙ্গত, উড়ন্ত হাসপাতালটির দশম বারের মতো বাংলাদেশ ও চতুর্থবারের মতো চট্টগ্রাম সফর। অরবিস ইন্টারন্যাশনালের আত্মপ্রকাশের তিন বছরের মধ্যে ১৯৮৫ সালে প্রথম বাংলাদেশে আসে। সর্বশেষ এটি এসেছিল ২০০৯ সালে। ১৯৮২ সাল থেকে অরবিস ২৩ মিলিয়ন মানুষকে চক্ষুসেবা দিয়েছে।

ঢাকা, শুক্রবার, নভেম্বর ১৭, ২০১৭ (বিডিলাইভ২৪) // এস আর এই লেখাটি ৯৫ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন