সর্বশেষ
শনিবার ৩রা অগ্রহায়ণ ১৪২৫ | ১৭ নভেম্বর ২০১৮

আর্জেন্টিনার সাবমেরিনের অনুসন্ধানে নেমেছে ‘নাসা’র বিমান

রবিবার, নভেম্বর ১৯, ২০১৭

1431945410_1511067926.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :
৪৪ জন ক্রুসহ আর্জেন্টিনার একটি সাবমেরিন নিখোঁজ হবার পর এটিকে খুঁজে বের করার জন্য প্রস্তাব দিয়েছে আমেরিকা। আর সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেছে আর্জেন্টিনার সরকার।

এরপরই সাবমেরিন অনুসন্ধানের কাজে নেমেছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র বা নাসা’র একটি বিমান।

এআরএ সান জুয়ান নামের এ সাবমেরিনকে সর্বশেষ বুধবার দেখা গেছে। পরে এর সঙ্গে আর কোনো রকম যোগাযোগ স্থাপনা করা যায় নি। ফলে সাবমেরিনের সন্ধানে আর্জেন্টিনার বিমান বাহিনী ও নৌবাহিনী ব্যাপক অনুসন্ধান চালাচ্ছে। এরইমধ্যে সাবমেরিনের ৪৪ ক্রু’র ভাগ্য নিয়ে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। প্রেসিডেন্ট মোরিসিও ম্যাক্রি বলেছেন, দ্রুত সাবমেরিন খুঁজে বের করার জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছু করা হবে। তবে, সময় যতই গড়াচ্ছে ততই ক্রুদের পরিবার পরিজনের ভেতরে উৎকণ্ঠা বাড়ছে। এরইমধ্যে ডেল প্লাটা ঘাঁটিতে জড়ো হতে শুরু করেছেন তারা।

দক্ষিণ আমেরিকার সর্বশেষ সীমানা ইউশুয়াইয়া এলাকা থেকে নিয়মিত মিশন শেষে মার ডেল প্লাটা ঘাঁটিতে ফেরার পথে সাবমেরিনটি নিখোঁজ হয়। মার ডেল প্লাটা ঘাঁটিটি রাজধানী বুয়েন্স আয়ার্স থেকে ৪০০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। ইউশুয়াইয়া থেকে এন্টার্কটিকা অনেকটা কাছেই এবং ম্যাগিলান প্রণালীর মাধ্যমে দক্ষিণ প্রশান্ত ও দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসগারকে যুক্ত করেছে।

ডিজেল-ইলেক্ট্রিক শক্তিচালিত এ সাবমেরিনটি জার্মানির কাছ থেকে সেকেন্ড-হ্যান্ড হিসেবে কিনেছিল আর্জেন্টিনা। দেশটির নৌবহরে তিনটি সাবমেরিন রয়েছে এবং এআরএ সান জুয়ান তারই একটি এবং খুবই পুরনো। ১৯৮৫ সালে জার্মানি এ সাবমেরিন তৈরি করে। ২০০৮ সালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর আর্জেন্টিনা আরো ৩০ বছর ব্যবহারের জন্য সাবমেরিনটিকে বহরে রাখার সিদ্ধান্ত নেয় যা অনেকটা আত্মঘাতী হিসেবে দেখা দিয়েছে।

ঢাকা, রবিবার, নভেম্বর ১৯, ২০১৭ (বিডিলাইভ২৪) // এস এ এই লেখাটি ৪১৮ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন