সর্বশেষ
সোমবার ৯ই আশ্বিন ১৪২৫ | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮

আগামী বাজেট হবে ৪ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার

সোমবার, নভেম্বর ২৭, ২০১৭

1191182672_1511749034.jpg
বিডিলাইভ রিপোর্ট :
আগামী ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটের আকার ৪ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকা হতে পারে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

গতকাল রোববার সচিবালয়ে বাজেট প্রস্তাবনা সংক্রান্ত প্রথম বৈঠকের পর অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

বৈঠকে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব মুসলিম চৌধুরী, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব মো. ইউনুসুর রহমান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. ফজলে কবির, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব ও এনবিআরের চেয়ারম্যান নজিবুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকের পর অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের আগামী বাজেট সম্পর্কে বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক আইনের অধীনে একটি একটি কো-অর্ডিনেশন কাউন্সিলের কমিটি আছে। ওই কমিটির মিটিং ছিল। এছাড়া বাজেট কীভাবে বাস্তবায়িত হয় তার একটি কমিটি আছে। সেটারও মিটিং ছিল। আগামী বাজেট হবে সাদামাটা। এটি উচ্চাভিলাসী বাজেট হবে না।

আগামী বাজেটের আকার সম্পর্কে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমাদের অর্থনীতির অবস্থা অনুসারে আমি গত ৮-৯ বছরে বাজেটের যে আকার বাড়াতে চেয়েছি তা আগামী বাজেটেও প্রতিফলিত হবে। এ বছর ৪ লাখ ২৬৬ কোটি টাকার বাজেট ছিল। সংশোধিত বাজেটে এর পরিমাণ হবে ৩ লাখ ৭১ হাজার কোটি টাকা। আগামী অর্থবছরের বাজেট হবে ৪ লাখ ৬৮ হাজার টাকার। এটা প্রাথমিক প্রাক্কলন। পরবর্তী সময়ে এটা ঠিক করা হবে। তবে এর কাছাকাছি কিছুই হবে। এ আকারের ওপর ভিত্তি করে মন্ত্রণালয়গুলোর জন্য বরাদ্দেরও আমরা একটি প্রাক্কলন করেছি। ফেব্রুয়ারি-মার্চের দিকে আমরা সব ঠিক করব। এটা ছিল প্রথম মিটিং।

অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রত্যেক বাজেটেই আমরা চাই প্রতিবার মন্ত্রণালয়গুলো যে বরাদ্দ পায় তার কম যেন না পায়। অনাহুত কোনো কিছু না হলে আমরা পরিবর্তন করি না। কোনো মন্ত্রণালয়ের যদি অনুদানের প্রয়োজন হয় তাহলে আলাদা কথা। যেমন: আমাদের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের জন্য স্পেশাল অনুদান দেওয়া হয়, সেটা আলাদা কথা। তাদের বাজেট হয়তো আগামীবার একই থাকবে না।

তিনি বলেন, আমরা ২০১৪ সালেই ঘোষণা দিয়েছি যে, জনশক্তি আর শিক্ষাকে প্রাধান্য দেওয়া হবে। আমরা সেভাবেই এগুচ্ছি। তবে এতে বরাদ্দ হয়তো খুব বেশি পরিবর্তন হবে না। কিন্তু এগুলোকে প্রাধান্য দেওয়া হবে।

রাজস্ব সংগ্রহের পারফরম্যান্সের ব্যাপারে অর্থমন্ত্রী বলেন, গত বছর ১১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছিল। এবার আমরা ১৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি চাচ্ছি। এখন পর্যন্ত কালেকশন ভালো। আর গুড থিং হচ্ছে, করদাতার সংখ্যা ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। আমি যেখানে টার্গেট দিয়েছি ২৫ লাখ, সেটা ৩২ লাখ হয়ে গেছে। বাংলাদেশের উজ্জ্বল যুবকরা মনে করে, এটা তাদের দায়িত্ব। দেশকে টাকা দেওয়া দরকার। এটা একটা দারুণ খুশির খবর। তাদের বেশিরভাগের বয়স ৪০ এর নিচে। এতে জাতি হিসেবে আমাদের গৌরব বোধ করার যথেষ্ট কারণ আছে।

জিডিপি প্রবৃদ্ধি নিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, জিডিপি গ্রোথ আমরা ধরেছি ৭ দশমিক ৪ শতাংশ হবে। আমাদের পরিকল্পনামন্ত্রী জানালেন, এই টার্গেট ছাড়িয়ে যাবে। আমারও তাই মনে হয়। প্রথম প্রান্তিকের পারফরম্যান্স খুব ভালো।

তিনি বলেন, বন্যায় ফসলহানির পরও প্রবৃদ্ধি ভালো হবে। প্রথমবারের মতো আমাদের আমদানির ওপর নির্ভর করতে হয়েছে। তারপরও ভালো হবে। এক বন্যা এসে সব শেষ করে দিয়ে গেছে। তবুও আমরা গ্রেটফুল। কারণ, গত ১০ বছরের মধ্যে প্রাকৃতিক দুর্যোগ আমাদের কাহিল করেনি। এটা সৌভাগ্যের বিষয়।


ঢাকা, সোমবার, নভেম্বর ২৭, ২০১৭ (বিডিলাইভ২৪) // পি ডি এই লেখাটি ১১৯ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন