সর্বশেষ
শুক্রবার ৬ই আশ্বিন ১৪২৫ | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮

‘ভাই গিরিশ চন্দ্র সেন’ স্মরণে আজ জাতীয় জাদুঘরে স্মৃতিবক্তৃতা

সোমবার, নভেম্বর ২৭, ২০১৭

870922537_1511760374.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :
সাহিত্যিক, বহুভাষাবিদ, অনুবাদক ও সাংবাদিক ভাই গিরিশ চন্দ্র সেন স্মরণে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের উদ্যোগ আজ সোমবার স্মৃতিবক্তৃতা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। বাসস সূত্রে এই তথ্য জানা যায়।

বিকেল তিনটায় একাডেমির কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে ‘ভাই গিরিশ চন্দ্র সেন: ক্ষণজন্মা পুরুষের পথ চলা’ শীর্ষক বক্তৃতা প্রদান করবেন ড. মোহাম্মদ আলী খান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। বিশেষ অতিথি থাকবেন সাবেক সচিব হেয়ায়েতুল্লাহ আল মামুন।

ভাই গিরিশ চন্দ্র সেন ১৮৩৪ সালে নরসিংদী জেলার পাঁচদোনা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। মুসলমানদের ধর্মগ্রন্থ ‘পবিত্র কোরআন শরীফ’ আরবি থেকে তিনিই প্রথম বাংলা ভাষায় অনুবাদ করে খ্যাতি অর্জন করেন। ঢাকার পোগস স্কুলে তিনি অধ্যয়ন করেন। এরপর তিনি ফার্সীভাষা শেখেন।

পরবর্তীতে তিনি প্রথমে আরবি ব্যাকরণ, আরবি ইতিহাস ও আরবি সাহিত্য অধ্যয়ন করেন। কর্মজীবনে প্রথমে ময়মনসিংহ জিলা স্কুলে কিছুকাল শিক্ষকতা করেন। এ চাকুরি ছেড়ে কানপুর ও লক্ষ্ণৌ যান আরবি ও ফার্সি ভাষায় উচ্চ শিক্ষাগ্রহণ করতে। অনুবাদের মধ্যদিয়ে তার লেখালেখি জীবন শুরু। রাজা রামমোহন রায় প্রতিষ্ঠিত ‘ব্রাহ্মন’ ধর্মের দীক্ষা নেন। এই ধর্মের প্রচারক কেশব চন্দ্র সেন এর পরামর্শে ভাই গিরিশি চন্দ্র সেন প্রথম বাংলায় কোরআন শরীফ অনুবাদ করেন। তার লেখা প্রথম গ্রন্থ হচ্ছে ‘ব্রহ্মময়ী’।

পরবর্তী পর্যায়ে গিরিশ চন্দ্র সেন’ এর প্রকাশিত বইগুলো হচ্ছে মিশাকাত শরীফ, বিভিন্ন হাদিস, তাসকিরাতুল আউলিয়া, দিলওয়ান-ই-হাফিজ, গুলিস্তাঁ, বুস্তাঁ, কিমিয়া-ই-আদত। তিনি দুটি পত্রিকার সহকারী সম্পাদক হিসেবে সাংবাদিকতা করেন এবং ‘মহিলা’ নামে একটি পত্রিকা প্রকাশ করে নারীদের নানা বিষয়ে লেখার সুযোগ সৃষ্টি করেন। ১৯১০ সালের ১৫ আগস্ট এই সাহিত্যিক মনিষা ও সাংবাদিক মারা যান।

ঢাকা, সোমবার, নভেম্বর ২৭, ২০১৭ (বিডিলাইভ২৪) // জে এইচ এই লেখাটি ১৪৬ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন