সর্বশেষ
শনিবার ৩রা অগ্রহায়ণ ১৪২৫ | ১৭ নভেম্বর ২০১৮

সেতারে শুরু, খেয়ালে সমাপ্ত উৎসবের তৃতীয় রজনী

শুক্রবার, ডিসেম্বর ২৯, ২০১৭

3.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

উপমহাদেশজুড়ে শাস্ত্রীয়সঙ্গীতে বিখ্যাত শিল্পীদের অনন্য পরিবেশনায় নান্দনিকতার সুষমা ছড়িয়ে পড়েছিল আবাহনী মাঠে।

সুরের চাদরে আবৃত থেকে ধ্রুপদী একটি রাত পার করল উচ্চাঙ্গসঙ্গীতের অনুরাগীরা। 'খেয়াল, সরোদ, সেতার, বাঁশি আর বেহালার ব্যাকরণগত পরিবেশনায় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত সুরের সাগরে নিমজ্জিত ছিল অভিজাত সঙ্গীতের উচ্চমার্গীয় শ্রোতারা।

গতকাল বৃহস্পতিবার উৎসবের ষষ্ঠ আসরের তৃতীয় রজনী শুরু হয় বেঙ্গল পরম্পরা সঙ্গীতালয়ের শিক্ষার্থীদের সেতার বাদনের মধ্য দিয়ে।

আর ভোরে তা শেষ হয় অজয় চক্রবর্তীর কণ্ঠে খেয়াল পরিবেশনার মধ্য দিয়ে। আর মাঝখানের সময়টাতে ছিল ঘাটম ও কঞ্জিরার যুগলবন্দি নিয়ে মঞ্চে আসেন পিতা-পুত্র বিদ্বান ভিক্ষু বিনায়ক রাম ও সেলভাগনেশ বিনায়ক রাম। তাদের সঙ্গে কাঞ্জিরা ও কোনাক্কল বাজিয়েছেন স্বামীনাথন। মোরসিংয়ে ছিলেন এ গণেশন।

নিজেদের পরিবেশনার শুরুতেই তারা ঘাটমে শিবস্তব করেন। পরে তারা গুরুবন্দনা ও গণপতি বাজিয়ে দর্শকদের মাঝে মুগ্ধতা ছড়িয়ে দেন। শিল্পীদের হাতে উৎসবের স্মারক সম্মাননা তুলে দেন ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারপারসন স্যার ফজলে হাসান আবেদ।

এরপর আবার দেশের শিল্পীদের পরিবেশনা। খেয়াল পরিবেশন করেন সরকারি সঙ্গীত কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

তারা পরিবেশন করেন রাগ মালকোষ। তাদের অনবদ্য পরিবেশনা শেষে সরোদ নিয়ে মঞ্চে আসেন ভারতের প্রখ্যাত সরোদশিল্পী আবির হোসেন। তার সঙ্গে তবলায় সঙ্গত করেন যোগেস সামসি।

আবির হোসেন সরোদে রাগ আভোগী পরিবেশন করেন। সরোদ মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা শেষে দেশের প্রখ্যাত বংশীবাদক গাজী আবদুল হাকিম সুর তোলেন তার বাঁশিতে।

বাঁশির সুর থামতেই মঞ্চে আসেন ভারতের উদয় ভাওয়ালকর। বেঙ্গল পরম্পরা সঙ্গীতালয়ের এ শিক্ষকের পরিবেশনায় ছিল ধ্রুপদ। এরপর বেহালার সুর নিয়ে মঞ্চে আসেন ভারতের বিদুষী কালা রামনাথ। তৃতীয় দিনের শেষ পরিবেশনায় খেয়াল পরিবেশন করেন অজয় চক্রবর্তী।


ঢাকা, শুক্রবার, ডিসেম্বর ২৯, ২০১৭ (বিডিলাইভ২৪) // এস আর এই লেখাটি ৪১১ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন