সর্বশেষ
রবিবার ৮ই আশ্বিন ১৪২৫ | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮

পল্লীকবির জন্মদিন আজ

সোমবার, জানুয়ারী ১, ২০১৮

3_1.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

'নকশী কাঁথার মাঠ 'বা 'সোজন বাদিয়ার ঘাট' কাব্যগ্রন্থের মতো জসীমউদ্‌দীনের একেকটি কবিতা যেন বাংলার একেকটি গ্রাম। তার কবিতায়, গানে ও নাটকে কৃষিনির্ভর ও নদীমাতৃক বাংলার গাঁয়ের মানুষের কথা ফুটে উঠেছে।

আজ ১ জানুয়ারি, পল্লীকবি জসীমউদ্‌দীনের ১১৪তম জন্মবার্ষিকী। এ উপলক্ষে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ফরিদপুর জেলা প্রশাসন, জসীম ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন নানা কর্মসূচি নিয়েছে।

এদিকে জসীমউদ্‌দীন একাডেমি আয়োজন করেছে 'কবি জসীমউদ্দীন উৎসব-২০১৮'। এছাড়াও রয়েছে ফরিদপুর জেলা প্রশাসন ও জসীম ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে আজ সকালে শহরতলির গোবিন্দপুর গ্রামে পল্লীকবির সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন, আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল।

কবির পুরো নাম মোহাম্মাদ জসীমউদ্‌দীন মোল্লা। বাংলা সাহিত্যে তিনি পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত। রবীন্দ্রযুগের কবি হয়েও রবীন্দ্র প্রভাব থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত থেকে পল্লী জীবনকে অবলম্বন করে জসীমউদ্‌দীন  নির্মাণ করেছেন স্বকীয় এক কাব্যভুবন।

জসীমউদ্‌দীন সাধনায় খুলে গেছে বাংলা কবিতার নতুন এক দুয়ার। তার লেখা 'কবর' কবিতাটি বাংলা সাহিত্যে এক অবিস্মরণীয় অবদান। নকশী কাঁথার মাঠ ও সোজন বাদিয়ার ঘাট কবির শ্রেষ্ঠ দুটি রচনা। এ দুটি রচনা পৃথিবীর বহু ভাষায় অনুবাদ হয়েছে।

পল্লীকবি জসীমউদ্‌দীন শুধু একজন কবিই নন, তিনি একজন গীতিকার এবং একজন গান সংগ্রাহকও। জসীমউদ্‌দীন ১০ হাজারেরও বেশি লোকসংগীত সংগ্রহ করেন। তার সংকলিত এসব লোকসংগীতের বিশাল একটি অংশ জারিগান ও মুর্শিদা গানে স্থান পেয়েছে।

জসীমউদ্‌দীন গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী অনেক গান রচনা করেছেন। বিখ্যাত লোকসংগীতের গায়ক আব্বাসউদ্দীন, তার সহযোগিতায় কিছু বিশেষত ভাটিয়ালি ধারার অবিস্মরণীয় লোকগীতি নির্মাণ করেছেন।

১৯৬৯ সালে রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়কবিকে সম্মান সূচক ডি লিট উপাধিতে ভূষিত করেন। এছাড়া রয়েছে একুশে পদক ১৯৭৬ ও স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার ১৯৭৮ (মরণোত্তর)।

১৯৭৬ সালের ১৩ মার্চ ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি। কবির কবর কবিতা অনুযায়ী ডালিম গাছের তলায় কবিকে সমাহিত করা হয়।


ঢাকা, সোমবার, জানুয়ারী ১, ২০১৮ (বিডিলাইভ২৪) // এস আর এই লেখাটি ৩৮৪ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন