সর্বশেষ
মঙ্গলবার ২৯শে কার্তিক ১৪২৫ | ১৩ নভেম্বর ২০১৮

কানাডায় নাগরিকত্বের শর্ত শিথিল

মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী ৬, ২০১৮

4.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

কানাডায় স্থায়ীভাবে বসবাসের প্রক্রিয়া সহজ করা হয়েছে। ২০২০ সালের মধ্যে দেশটি বছরে ১০ লাখ দক্ষ-অদক্ষ শ্রমিক নেবে। তারা কানাডায় স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ পাবেন।

দেশটির ইমিগ্রেশন মন্ত্রী আহমেদ হোসাইন সম্প্রতি সুখবরটি দিয়েছেন। স্কিলড, ট্রেড স্কিলডসহ অন্যান্য ক্যাটাগরিতে এ সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

কমপ্রিহেনসিভ র‌্যাংকিং সিস্টেমে (সিআরএস) পয়েন্টের নিম্নমুখী স্কোরের প্রবণতা দেখে ধারণা করা হচ্ছে, চলতি বছর সবচেয়ে কম পয়েন্ট দিয়েও কানাডায় অভিবাসন মর্যাদা পাওয়া যাবে। আর এ কারণেই চলতি বছর ঘন ঘন লটারির সম্ভাবনা রয়েছে বলে অভিবাসন-সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

কানাডা সরকার সবসময়ই 'আগে আসলে আগে পাবেন' ভিত্তিতে অভিবাসনের কার্যক্রম পরিচালনা করে। বিল সি-৬ অনুযায়ী, কানাডার নাগরিকত্বের আবেদন করতে পাঁচ বছরের মধ্যে অন্তত তিন বছর বসবাস করতে হবে। আগে তা ছিল ছয় বছরের মধ্যে চার বছর।

এছাড়া কানাডায় যারা অস্থায়ী মর্যাদায় তথা ওয়ার্ক অথবা স্টাডি পারমিটে ছিলেন, তারাও কানাডায় বসবাসের সময়টুকু তিন বছর মেয়াদের একটি অংশ হিসেবে গণনা করতে সক্ষম হবেন।

অভিবাসন আইনজীবীরা বলেছেন, সঠিকভাবে আবেদন করতে পারলে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশিও কানাডায় নাগরিকত্ব পাবেন। এক্সপ্রেস এন্ট্রি প্রোগ্রামে এ আবেদন করতে হবে। তবে সবার আগে জানতে হবে, কানাডায় নাগরিকত্ব পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় যোগ্যতা আছে কি-না।

কানাডায় অভিবাসনের আবেদন করতে সাধারণত একটি পূর্ণাঙ্গ বায়োডাটা, পরিবারের তথ্য, শিক্ষাগত যোগ্যতা, আইইএলটিএস, ইসিএ সার্টিফিকেট, চাকরির অভিজ্ঞতার প্রমাণপত্র, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, মেডিকেল রিপোর্ট, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ইত্যাদি লাগে। অনলাইনেই আবেদন করা যায়।

সে ক্ষেত্রে আবেদনের জন্য যোগ্য কি না-তা নিরূপণ করার পরই প্রোফাইল তৈরি করে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করে লটারি ড্র-এর জন্য অপেক্ষা করতে হয়। তবে চাকরির অফারের প্রয়োজন হয়। অর্থাৎ কানাডায় প্রবেশের পরই যোগ্যতা অনুযায়ী চাকরি পাবেন- এমন নিশ্চয়তা থাকতে হবে।


ঢাকা, মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী ৬, ২০১৮ (বিডিলাইভ২৪) // এস আর এই লেখাটি ৮৮০৮ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন