সর্বশেষ
সোমবার ৯ই আশ্বিন ১৪২৫ | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮

ছাত্র পেটানোর ঘটনায় ঢাবির ছাত্রলীগের সাত নেতা বহিষ্কার

মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী ২৭, ২০১৮

22.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ হলের ছাত্র এহসান রফিককে মারধরের ঘটনায় ছাত্রলীগের সাত নেতাকে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম (এসএম) হলের শিক্ষার্থী এহসান রফিককে নির্যাতনের ঘটনায় সাত শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। একজনকে স্থায়ীভাবে, পাঁচজনকে দুই বছরের জন্য আর একজনকে এক বছরের জন্য বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এরা সবাই ছাত্রলীগের নেতা।

আজ সোমবার উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে বিশ্ববিদ্যালয় শৃঙ্খলা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয় বলে প্রক্টর এ কে এম গোলাম রব্বানী জানান।

এর মধ্যে সলিমুল্লাহ হল শাখা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক মার্কেটিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ওমর ফারুককে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সুপারিশ করা হয়েছে।

হল ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা দ্বিতীয় বর্ষের মো. রুহুল আমিন ব্যাপারী, সহ-সম্পাদক লোক প্রশাসন বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ফারদিন আহমেদ মুগ্ধ, উপ-প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক উর্দু বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের মো. মেহেদী হাসান হিমেল, হল কমিটির সদস্য সমাজবিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের সামিউল ইসলাম সামি, দর্শন বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের আহসান উল্লাহকে দুই বছরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

উল্লেখ্য, ছাত্রলীগের হল শাখার সহসম্পাদক ওমর ফারুককে ক্যালকুলেটর ধার দিয়েছিলেন এহসান। তিন মাসেও সেটি ফেরত না দেওয়ায় ৬ ফেব্রুয়ারি রাতে দুজনের কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। পরে রাত দুইটার দিকে এহসান পড়ার কক্ষ থেকে বিছানায় যাওয়ার সময় ছাত্রলীগের হল শাখার সহসভাপতি আরিফুল ইসলাম তাকে টেলিভিশনের কক্ষে ডেকে নিয়ে যান। সেখানে কমিটির জ্যেষ্ঠ বেশ কয়েকজন নেতা মিলে তাকে প্রায় দেড় ঘণ্টা নির্যাতন শেষে হল থেকে বের করে দেন। এ সময় ফটকের কাছে ওমর ফারুকের নেতৃত্বে তাকে আবারও মারধর করা হয়। এতে এহসানের একটি চোখ মারাত্মক জখম হয়। তার কপাল ও নাক ফেটে রক্ত বের হয়। এ ঘটনায় হল কর্তৃপক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে।


ঢাকা, মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী ২৭, ২০১৮ (বিডিলাইভ২৪) // জে এইচ এই লেখাটি ২৫৫ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন