সর্বশেষ
রবিবার ৪ঠা অগ্রহায়ণ ১৪২৫ | ১৮ নভেম্বর ২০১৮

হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ছে মেয়েদের

বুধবার, ফেব্রুয়ারী ২৮, ২০১৮

C9mklLHW0AATBeT_0.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

হৃদসংবহন তন্ত্র, মস্তিষ্ক, বৃক্ক ও প্রান্তিক ধমনী সম্পর্কিত রোগকে হৃদরোগ বলে। হৃদরোগের অনেক কারণ থাকতে পারে, তবে উচ্চ রক্তচাপ ও অ্যাথেরোসক্লোরোসিস প্রধান। পাশাপাশি বয়সের সাথে সাথে হৃৎপিন্ডের গঠনগত ও শারীরবৃত্তিক পরিবর্তন হৃদরোগের জন্য অনেকাংশে দায়ী, যা স্বাস্থ্যবান ব্যক্তিরও হতে পারে।

এর লক্ষণ জানলে বাঁচতে পারে আপনার জীবন। কারণ হৃদরোগ হচ্ছে নিরব ঘাতক এবং যে কেউ এতে আক্রান্ত হতে পারে। নিয়মিত শরীর চর্চার অভাব, কথা বলার সময় মাত্রারিক্তভাবে চেঁচিয়ে কথা বলা এবং শরীরে অতিরিক্ত দুর্বলতা এই রোগের ঝুঁকিকে বাড়িয়ে দেয়। তাই প্রত্যেকর এ রোগের লক্ষণ সম্পর্কে জানা দরকার বলে মনে করেন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞরা।

পুরুষ-নারী ভেদাভেদ করাটা অন্তত হৃদরোগের ধাতে নেই! অনিয়মিত খাদ্যাভাস আর মানসিক চাপে পুরুষের সঙ্গে সঙ্গে হৃদরোগের সমস্যা বেড়ে চলেছে মহিলাদেরও। ইংল্যান্ডের লিডস বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশিত গবেষণায় জানা গেছে, বিশ্ব জুড়ে পুরুষদের তুলনায় মহিলারা তিন গুণ বেশি হৃদরোগের সমস্যায় ভুগছেন। এর মধ্যে ভারতীয় মহিলাদেরও একটি বড় অংশ ওই রোগে আক্রান্ত। ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের সমীক্ষা জানাচ্ছে, ২০১৭-য় এ দেশের প্রায় ৪১% মহিলার দেহে উচ্চ কোলেস্টেরল পাওয়া গেছে, যা হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে।

মহিলাদের ওজন কমানোর প্রবল ইচ্ছে এবং তার জন্য নানা ধরনের কসরত, রাসায়নিক ব্যবহার এবং প্রয়োজনীয় খাবারদাবার থেকেও নিজেকে বঞ্চিত করে রাখার প্রবণতাই কি হৃদরোগের মতো প্রাণঘাতী সমস্যা তৈরি করছে?

হৃদরোগ চিকিৎসকদের একাংশ অবশ্য জানাচ্ছেন, ‘সাডেন কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট’ অনেকটা পথ-দুর্ঘটনার মতোই। কখন, ঠিক কী কারণে হঠাৎ সমস্যা তৈরি হবে, সেটা আন্দাজ করা যায় না। তবে পরিমিত খাবার ও প্রয়োজনীয় শারীরচর্চা একাধিক রোগ প্রতিরোধ করতে পারে। ওষুধ কিংবা সার্জারি নয় বরং প্রয়োজনীয় পরিমাণে খাবার ওজন ঠিক রাখার সঙ্গে সঙ্গে শরীর সুস্থ রাখে।

চিকিৎসকদের একাংশ মনে করছেন, অসময়ে খাওয়া এবং অতিরিক্ত তেলমশলাযুক্ত খাবারেই অভ্যস্ত হওয়ার কারণে হৃদরোগের মতো সমস্যা বাড়ছে। পরিমিত আহার সম্পর্কে ধারণার অভাব পরিস্থিতি আরো জটিল করছে বলে মনে করছেন তারা। খাবারের পরিমাণের পাশাপাশি কী খাওয়া হচ্ছে, সেটাও দেখা জরুরি।

লিডস বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশিত সমীক্ষায় উল্লেখ করা হয়েছে, অধিকাংশ মহিলা হৃদরোগ সম্পর্কে সচেতন নন। তাই ওই রোগে আক্রান্ত অধিকাংশ মহিলারই শুরু থেকে কোনো রকম চিকিৎসা হয় না। বিশেষত, যারা কোনো শারীরিক কসরত না-করেও খুব ঘামেন, তাদের ডাক্তারের কাছে পরামর্শ নিতে যাওয়া উচিত।


ঢাকা, বুধবার, ফেব্রুয়ারী ২৮, ২০১৮ (বিডিলাইভ২৪) // জে এস এই লেখাটি ৭২৪ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন