সর্বশেষ
শনিবার ৭ই আশ্বিন ১৪২৫ | ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮

দশ বছরে মাথাপিছু আয় বেড়েছে ২০০ শতাংশ

বুধবার, মার্চ ২১, ২০১৮

1_0.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

গত দশ বছরে মাথাপিছু মোট জাতীয় আয় (জিএনআই) প্রায় দুইশ’ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে সারাদেশে পল্লী এবং নগর এলাকায় সাধারণ জনগণের জীবনযাত্রার মান বেড়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য মতে বিগত দশ বছরে জীবনযাত্রার মান ১৯৬.৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০০৬ সালে মাথাপিছু আয় ছিলো ৫৪৩ মার্কিন ডলার। দশ বছর পরে এসে ২০১৬ সালে মাথাপিছু আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬১০ মার্কিন ডলার।

জিএনআই এ বিস্ময়কর বৃদ্ধির তিনটি পূর্ব শর্তের মধ্যে একটি হলো বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) গ্রুপ থেকে বেড়িয়ে আসতে হবে। এ জন্য বাংলাদেশের মাথাপিছু জিএনআই হতে হবে ১,২৩০ মার্কিন ডলার অথবা তার ঊর্ধ্বে।

জিএনআই বৃদ্ধি দেশের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়নে এবং সাধারণ জনগণের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

ঢাকায় বিশ্ব ব্যাংকের শীর্ষ অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, বাংলাদেশে দারিদ্র্যের হার ২০১০ সালে ৩১.৫ শতাংশ থেকে ২০১৬ সালে ২৪.৩ শতাংশে নেমে এসেছে। তিনি সমষ্টিক অর্থনীতির সূচক স্থিতিশীল উল্লেখ করে জিএনআই এই বৃদ্ধির প্রবণতা ভবিষ্যতে অব্যাহত থাকার ব্যাপারে আশাবাদ প্রকাশ করে বলেছেন, বাংলাদেশ ২০২৪ সালের মধ্যে এলডিসি থেকে বেড়িয়ে আসবে। তবে এলডিসি থেকে বেড়িয়ে আসার পর বাংলাদেশকে কিছু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে। বাংলাদেশকে এই চ্যালেঞ্জ মোবেলার প্রস্তুতি অর্থাৎ পরিকল্পনা এখন থেকেই নিতে হবে।

অর্থমন্ত্রনালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে অতিরিক্ত সচিব মানিক চন্দ্র দে বলেন, ভিশন-২০২১সহ পরবর্তী উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে দেশের অর্থনীতির জন্য এলডিসি থেকে বেড়িয়ে আসার সক্ষমতা বাংলাদেশের জন্য একটি বড় অর্জন।

তিনি বলেন, জিডিপি’তে উচ্চ প্রবৃদ্ধি এবং রেমিটেন্স প্রবাহ বৃদ্ধি মাথাপিছু আয় বুদ্ধিতে অবদান রেখেছে। এলডিসি থেকে বেড়িয়ে আসার জন্য সক্ষমতা অর্জনের উল্লেখ করে চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডর্ষ্টির (সিসিসিআই) সিনিয়র সহ-সভাপতি এম নুরুন নেওয়াজ সেলিম বলেন, মাথাপিছু আয় বৃদ্ধিতে জীবনযাত্রা মান বেড়েছে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড গতিশীল হয়েছে। তিনি আরো বলেন, মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশে বসবাসরত মানুষের গড় আয়ুও বেড়েছে।

চেম্বার নেতা বলেন, আগের চেয়ে মানুষ এখন উন্নত জীবন যাপন করার জন্য বেশি টাকা ব্যয় করার পর থেকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পেয়েছে।

মধুমতি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও এম শফিউল আজম বলেন, তৃণমূল পর্যায়ের জনগণকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের আওতায় নিয়ে আসতে বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে তার ব্যাংক সারাদেশে প্রায় এজেন্ট পয়েন্ট খুলেছে।

তিনি বলেন, এজেন্ট পয়েন্ট থেকে আমরা লক্ষ করছি তৃণমূল পর্যায়ে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তারা তাদের জীবনকে স্বাচ্ছন্দময় করতে ফ্রিজ টেলিভিশনসহ বিভিন্ন ধরনের নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য ক্রয়ে বেশি বেশি অর্থ ব্যয় করছে।

সূত্র: বাসস


ঢাকা, বুধবার, মার্চ ২১, ২০১৮ (বিডিলাইভ২৪) // জে এইচ এই লেখাটি ৩২৩ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন