সর্বশেষ
সোমবার ৯ই আশ্বিন ১৪২৫ | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮

‘বিপিও সেক্টরে ১ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হবে’

রবিবার, এপ্রিল ১৫, ২০১৮

chalbazz.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

প্রতি বছর সরকার ৩০ হাজার তরুণকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। ২০২১ সালে এক লাখ তরুণ প্রশিক্ষণ পাবে। এই লক্ষ্য অর্জনে কাজ করছে বর্তমান সরকার। প্রশিক্ষিত এসব তরুণ জনশক্তিতে রূপান্তর হবে। এসব তথ্য জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।

আজ রোববার রাজধানী ঢাকায় বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং (বিপিও) সামিটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন তিনি। সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কলসেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্য) যৌথভাবে এর আয়োজন করেছে।

তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বিশাল এই অনুষ্ঠান উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রীর সন্তান সজীব ওয়াজেদ জয় আরো বলেন, ‘প্রতি বছর জনপ্রশাসনে আমরা মাত্র ৩ থেকে ৪ হাজার লোককে নিয়োগ দিতে পারি, এটা সংখ্যায় একেবারেই নগন্য। এর চেয়ে বেশি চাকরিপ্রার্থীকে কিন্তু আমরা তথ্যপ্রযুক্তি খাতেই চাকরি দিতে পারি।’

জয় আশা করছেন, দ্রুত গতির ইন্টারনেট নিশ্চিত করায় বিপিও খাত থেকে বাক্য প্রতি বছর ৩০০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি আয় করতে পারবে।

তিনি বলেন, ‘এখন এটা আমি বলতে পারি, ফ্রিল্যান্সার খাতে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের এক নম্বর গন্তব্যে পরিণত হয়েছে। তাই শুধু ইন্টারনেট আর ল্যাপটপ থাকলেই হলো। আমরা দ্রুত গতির ইন্টারনেট সেবাও নিশ্চিত করব। যে কেউ যেকোনো স্থানে বসে আইটি সেক্টর থেকে উপার্জন করতে পারবেন।’

সরকারের নতুন এক ভাবনার কথা তুলে ধরে জয় জানান, প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকেই সরকার প্রোগ্রামিং প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা হতে পারে।

বাংলাদেশ সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সভাপতি ইমরান আহমেদ বলেন, ‘সরকারের সঠিক নির্দেশনা বিপিও খাতকে আরো এগিয়ে নিয়ে যাবে, এ খাতে আমাদের মেধাবী তরুণ-তরুণীদের কর্মসংস্থানের অবারিত সুযোগ তৈরি হবে এবং এর মাধ্যমে আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ-এর স্বপ্ন বাস্তবায়নে আরো অনেক দূর এগিয়ে যাবো।’

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক; ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ইমরান আহমেদ,  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব সুবীর কিশোর চৌধুরী, বাক্যর সভাপতি ওয়াহিদ শরীফ।

দুই দিনের আয়োজনে দেশি-বিদেশি তথ্যপ্রযুক্তিবিদ, সরকারের নীতিনির্ধারক, গবেষক, শিক্ষার্থী, বিপিও খাতের সঙ্গে জড়িতরা অংশ নেবেন। সম্মেলনে ৪০ জন স্থানীয় বক্তার সঙ্গে যোগ দিয়েছেন ২০ জন আন্তর্জাতিক বক্তা;  সম্মেলনে অনুষ্ঠিত হবে ১০টি সেমিনার। বিপিও খাতে দক্ষ ও পর্যাপ্ত জনবল তৈরিও এই সামিটের অন্যতম লক্ষ্য। এবারের আয়োজনে আউটসোর্সিং সেবা ও ফোর-জি, ফাইভ-জি নিয়ে ধারণা প্রদর্শন করা হবে।

আয়োজনে অংশীদার হিসেবে রয়েছে বেসিস, বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি, বাংলাদেশ ওমেন ইন টেকনোলজি, আইএসপি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ মোবাইল ফোন ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন।


ঢাকা, রবিবার, এপ্রিল ১৫, ২০১৮ (বিডিলাইভ২৪) // জে এস এই লেখাটি ৬৫৮ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন