সর্বশেষ
শনিবার ৭ই আশ্বিন ১৪২৫ | ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮

ব্রেন ক্যানসার গ্লিয়োব্লাস্টোমা কি?

শনিবার, এপ্রিল ২১, ২০১৮

34162.jpeg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

ব্রেন ক্যানসার একটি বিরল রোগ কিন্তু এই রোগের নানা ধরন রয়েছে। যার মধ্যে একটি ব্রেন ক্যানসার হচ্ছে গ্লিয়োব্লাস্টোমা। এটি এক ধরনের ম্যালিগন্যান্ট ব্রেন টিউমর। তবে মনে রাখতে হবে ব্রেন টিউমর মানেই কিন্তু ব্রেন ক্যানসার নয়। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রেই ব্রেন টিউমর থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। কিছু কিছু ব্রেন টিউমর 'ম্যালিগন্যান্ট' প্রকৃতির হয় এবং সেই ধরনের টিউমরকেই 'ক্যানসারাস' বলা হয়।

অ্যামেরিকান অ্যাসোসিয়েশন অফ নিউরোলজিক্যাল সার্জনসের তথ্য অনুযায়ী, গ্লিয়োব্লাস্টোমাতে আক্রান্তরা সাধারণত পূর্ণবয়স্ক পুরুষ হয়ে থাকেন।  

এই বিশেষ ধরনের ক্যানসারের প্রধান বৈশিষ্ট্য হল খুব দ্রুত শরীরের বাকি অংশে ছড়িয়ে পড়ে। তাই সচরাচর এই রোগ ধরা পড়ার পরে খুব বেশিদিন বাঁচার সম্ভাবনা কম। রোগের সিম্পটমগুলো যতটা সম্ভব কমানোর জন্য কিছু চিকিৎসা রয়েছে বটে কিন্তু সম্পূর্ণ নিরাময় সম্ভব নয় অ্যালোপ্যাথি চিকিৎসাশাস্ত্র অনুযায়ী। রোগীর বয়স যত কম, এই রোগ ধরা পড়ার পরে তার বেঁচে থাকার সময়কাল তত বেশি।

তবে এ রোগ থেকে কিভাবে সতর্ক থাকা যায় তা জানা একান্ত প্রয়োজন। প্রত্যেকটি বড় ধরনের অসুখের ক্ষেত্রেই শরীরে কিছু সিম্পটম বা লক্ষণ দেখা যায়। সেই লক্ষণগুলি দেখে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের পরামর্শ নিলে, অনেক সময়েই নিরাময়ের সম্ভাবনা থাকে।

ইউনিভার্সিটি অফ টেক্সাস হেলথ সায়েন্স সেন্টারের বিশেষজ্ঞ চার্লস  ডেভিস কয়েকটি সাধারণ লক্ষণের কথা বলেছেন, যেগুলো কিন্তু ব্রেন ক্যানসারের পূর্বসূচনা হতে পারে—  

১. সেইজার বা মৃগী
২. মানসিক অবস্থার হঠাৎ পরিবর্তন যেমন অত্যাধিক ঘুম পাওয়া, স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়ে পড়া অথবা মনোযোগের অভাব
৩. চোখ ঠিক থাকা সত্ত্বেও কোনও কারণ ছাড়াই দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসা
৪. কথা জড়িয়ে যাওয়া অথবা সঠিক শব্দে নিজেকে প্রকাশ করতে না পারা   
৫. আচার-আচরণ-ব্যবহারে হঠাৎই কিছু অস্বাভাবিক পরিবর্তন  
৬. চলাফেরায় জড়তা বা হাঁটতে অসুবিধা
৭. বমি ভাব বা বার বার বমি হওয়া (এটা বিশেষ করে মধ্যবয়সী বা বয়স্কদের মধ্যে দেখা যায়)
৮. হঠাৎ করে জ্বর আসা, বিশেষ করে কেমোথেরাপির পরে।
৯. মাথার যন্ত্রণা

তবে শেষের লক্ষণটি দেখে বোঝা সবচেয়ে কঠিন কারণ এটি শুধু ব্রেন ক্যানসারের কারনে নয়, একাধিক কারণে হতে পারে। বিশেষ করে যাদের মাইগ্রেনের সমস্যা রয়েছে বা সাইনাস রয়েছে, তাদের কাছে এটি নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। তবু সাবধান থাকতে হবে।

উপরের এই লক্ষণগুলোর কোনটি যদি বেশ অনেকদিন ধরে ঘটে, তবে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।


ঢাকা, শনিবার, এপ্রিল ২১, ২০১৮ (বিডিলাইভ২৪) // পি ডি এই লেখাটি ৮৯৬ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন