সর্বশেষ
বুধবার ১৫ই আশ্বিন ১৪২৭ | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০

মেয়ের অভিভাবকত্ব পেয়ে খুব খুশি বাঁধন

সোমবার, এপ্রিল ৩০, ২০১৮

chalbazz_1.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

আইনি জটিলতা কাটিয়ে অবশেষে বাংলাদেশে মেয়ের অভিভাবক হিসেবে দায়িত্ব পেলেন মডেল ও অভিনেত্রী আজমেরি হক বাঁধন। বিবাহ বিচ্ছেদের পর মেয়ে মায়ের সাথে থাকলেও তার সকল দায়িত্ব ছিলো মাশরুর সিদ্দিকী সনেটের। কিন্তু আজ দ্বাদশ সহকারী জজ ও পারিবারিক আদালত বাঁধন কন্যার সকল দায়দায়িত্ব মা বাঁধনের বলে ঘোষণা দিয়েছেন।

আজ সোমবার সকালে ঢাকার দ্বাদশ সহকারী জজ ও পারিবারিক আদালতের বিচারকের দেওয়া রায়ে বলেছেন, ‘কন্যাশিশুর অভিভাবক হচ্ছেন মা। মায়ের জিম্মায়ই মেয়ে থাকবে। কন্যার সর্বোত্তম মঙ্গলের জন্য মায়ের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।’ এই রায়ে তিনি আরো বলেন, ‘কন্যাশিশুকে নিয়ে মা দেশের ভেতরে এবং বাইরে যেতে পারবেন, যেহেতু মা-ই কন্যাশিশুর অভিভাবক।’

এই রায়ের পর দারুণ খুশি হয়ে বাঁধন তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘মেয়ের অভিভাবকত্ব পাওয়ার জন্য গত নয় মাস আমি অনেক সংগ্রাম করেছি। মেয়েকে নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগেছি। কিন্তু আজ আমি নিশ্চিন্ত। মাননীয় আদালত সাধারণ কাস্টডি নয়, বরং মেয়ের সম্পূর্ণ গার্ডিয়ানশিপ আমাকে দিয়েছেন।’

২০১৪ সালের ২৬ নভেম্বর মাশরুর সিদ্দিকীর সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে বিবাহবিচ্ছেদ হয় বাঁধনের। এরপর গত বছর আগস্ট মাসে বাঁধন অভিযোগ করেন, ‘গত মাসে আমার মেয়ে সায়রাকে নিয়ে যান আমার সাবেক স্বামী। এরপর একরকম জোর করে তাকে কানাডা নিয়ে যাওয়ার কথা বলেন। সায়রা এখন কোথায় থাকবে, মা হিসেবে আমার অধিকার পাওয়ার জন্য মামলা করেছি।’

তখন তিনি আরো অভিযোগ করেন, মাশরুর সিদ্দিকী তার মেয়ের পাসপোর্ট আটকে রেখেছেন। আজ আদালত সেই পাসপোর্ট ফেরত দেয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। যদি বাবা তা ফেরত না দেন, তবে বাদীকে থানায় জিডি করতে বলেছেন এবং নতুন পাসপোর্ট দেয়ার জন্য পাসপোর্ট অফিসে আদালত চিঠি ও আদেশ পাঠিয়ে দেবেন বলেও জানান।

বাঁধন আরো বলেন, আমার জীবনের এই অংশটায় যারা যারা আমাকে সমর্থন দিয়েছেন, তাদের প্রত্যেককে আমার গভীর কৃতজ্ঞতা। আপনাদের নাম নিতে চাই না, শুধু অনুরোধ করবো – মেয়েকে যেন এইভাবেই, আমার নিজের সামর্থে, মানুষ হিসেবে বড় করতে পারি, সেই দোয়া করবেন। সততাই যে সর্বোত্তম পন্থা সেটা আবারও প্রমাণ হলো। নিশ্চিত ছিলাম, সঠিক ভাবে আইনকে উপস্থাপন করতে পারলে আইনের সুশাসন যে দেশে এখোনও আছে, সেটা প্রমাণ পাওয়া যায়।

বাঁধন গত বছর ৩ আগস্ট মেয়ে মিশেল আমানি সায়রাকে নিজের কাছে রাখার জন্য মামলা করেছিলেন। আদালতে রায়ের সময় মাশরুর সিদ্দিকী উপস্থিত ছিলেন না। তার আইনজীবী সেখানে হাজির ছিলেন।


ঢাকা, সোমবার, এপ্রিল ৩০, ২০১৮ (বিডিলাইভ২৪) // জে এস এই লেখাটি ১৮৪২ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন