সর্বশেষ
শুক্রবার ৬ই আশ্বিন ১৪২৫ | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮

ছবিতে শুটিংয়ের পর পোশাকগুলো নিয়ে কী করা হয়?

শনিবার, মে ৫, ২০১৮

Capture-36.png
বিডিলাইভ ডেস্ক :

সিনেমা মানুষের বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম। সে জন্য চমক আর দৃষ্টিনন্দন করার জন্য তার মধ্যে থাকে হাজারো পরিকল্পনার সমাহার। আর সেসবের মধ্যে অন্যতম হলো পোশাক পরিবর্তন। একটি সিনেমায় নায়ক-নায়িকাসহ যতগুলো চরিত্র থাকে তাদের সবাইকে অসংখ্যবার পোশাক এবং কস্টিউম পরিবর্তন করতে হয়।

ছবিতে নায়ক-নায়িকাদের পরা সমস্ত পোশাক একেবারে কম হয় না। এরমধ্যেও কিছু পোশাক থাকে যা দর্শককূলের মনে দাগ কেটে যায়। বলিউড ছবি ‘চন্না মেরেয়া’ গানে অানুশকার বিয়ের সাজ অথবা ‘বাজিরাও মাস্তানি’র ‘দিওয়ানি মস্তানি’ গানে দীপিকার অপূর্ব কস্টিউমের কথা তো ভোলা যায় না। কিন্তু সেই সমস্ত ড্রেসের জীবনকাল তো মোটে কয়েক সেকেন্ড, বড়জোড় কয়েক ঘণ্টা। তারপর কী হয় এসব পোশাকের?

কিন্তু কখনো ভেবেছেন কি এত দামী দামী কস্টিউম শুটিং শেষের পর কী করা হয়? আর কখনো কি ব্যবহার করা হয় এই পোশাক? আসলে শুটিং শেষ হয়ে যাওয়ার পর বেশির ভাগ সময়ই প্রডাকশন হাউসের স্টোর রুমে রাখা হয় সেসব পোশাক। প্রতিটি ছবির জন্য আলাদা আলাদা বাক্স তৈরি করা হয়। উপরে ছবির নামের স্টিকার লাগানো থাকে। স্টিকার লাগানো সেই বাক্সের মধ্যেই রাখা থাকে পোশাকগুলো।

তাহলে কী এতসব দামী পোশাক এভাবেই বাক্সবন্দি হয়ে পড়ে থাকে দিনের পর দিন? আসলে এটাও সম্পূর্ণ সত্য নয়। কারণ সাধারণ মানের পোশাকগুলোই এভাবে রাখা হয়। পরে তা সেই প্রডাকশনেরই অন্য ছবির পার্শ্ব চরিত্রদের পরতে দেয়া হয়।

টিভি সিরিয়ালের ক্ষেত্রে শাড়ি-লেহেঙ্গা ইত্যাদি রিসাইক্‌লড হতেই থাকে। সাস-বহু সিরিয়ালে বার বার ব্যবহৃত হয় একই পোশাক। আবার বেশ কিছু পোশাক নিলাম হয়। স্যুভেনির হিসেবে তার সংগ্রহ-মূল্য রয়েছে। নিলাম থেকে প্রাপ্ত আয় বেশির ভাগ সময় দান করে দেয়া হয়।

আর দামী ডিজাইনার পোশাকগুলোর ক্ষেত্রে ঘটে অন্য ঘটনা। আরেক বলিউড ছবি ‘বম্বে ভেলভেট’ এ ৩৫ কেজির একটি সবুজ গাউন পরেছিলেন অানুশকা শর্মা। ‘চন্না মেরেয়া’ গানে তার পরা লেহেঙ্গাটির ওজন ছিল ১৭ কেজি। বেশির ভাগ সময় শুটিংয়ের পর এই ডিজাইনার পোশাকগুলি নিজেদের স্টুডিওর জন্য ফেরত নিয়ে নেন ডিজাইনাররা।


ঢাকা, শনিবার, মে ৫, ২০১৮ (বিডিলাইভ২৪) // জে এস এই লেখাটি ২৩৪৪ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন