সর্বশেষ
সোমবার ৫ই অগ্রহায়ণ ১৪২৫ | ১৯ নভেম্বর ২০১৮

স্বর্ণ আমদানিতে ডিলার নিয়োগ দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক

বৃহস্পতিবার, মে ২৪, ২০১৮

2.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদিত ডিলারদের মাধ্যমে স্বর্ণ আমদানির বিধান রেখে 'স্বর্ণ নীতিমালা ২০১৮' অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা কমিটি।

গতকাল বুধবার অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে এই নীতিমালা অনুমোদনের পর অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, এতদিন তো স্বর্ণ আমদানি হতো না, সব স্মাগল হতো। এখন আমদানি করব।

অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশে কোনো স্বর্ণ নীতিমালা ছিল না। সেজন্য এ খাতে নানা ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছিল। এখন স্বর্ণ আমদানি করব, এতদিন তো আমদানি হত না, সব স্মাগল হত। কোনো দিন কোনো স্বর্ণ আমদানি এই দেশে হয়নি। এসব ব্যবস্থা একটি নিয়মের আওতায় আনার জন্য স্বর্ণ নীতিমালা প্রণয়ন করা হলো। এখন বৈধভাবে স্বর্ণ আমদানি করে এদেশের ব্যবসায়ীরা তার সঙ্গে মূল্য সংযোজন করে বিদেশে রপ্তানি করতে পারবে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, স্বর্ণ আমদানির পর 'ভ্যালু অ্যাড করে' আবার তা রফতানি করার সুযোগ থাকছে এই নীতিমালায়। এটার ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে একটা রেগুলেটরি ফ্রেমওয়ার্ক হচ্ছে। এটার বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, বাংলাদেশ ব্যাংক ডিলার নিয়োগ করবে, যাদের মাধ্যমে (স্বর্ণ) আমদানি হবে। কারা কারা আমদানি করতে পারবে সেই ক্রাইটেরিয়া থাকবে। অনুমোদিত ডিলার (সোনার) বার আনবে, বাংলাদেশ ব্যাংক তথ্যভাণ্ডার মেইনটেন করবে।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, অনুমোদিত ডিলার সরাসরি স্বর্ণের বার আমদানি করতে পারবে। তবে ডিলার স্বর্ণের বার ছাড়া কোনো স্বর্ণালংকার বা অন্য কোনো ভাবে স্বর্ণ আমদানি করতে পারবে না। স্বর্ণের বার আমদানির সময় ডিলার বন্ড সুবিধা নিতে পারবে। এসব ডিলার স্বর্ণালংকার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে স্বর্ণের বার বিক্রি করবে।

নীতিমালায় আরো বলা হয়েছে, নিবন্ধিত বৈধ স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা স্বর্ণালংকার রপ্তানিকারক সনদ নিতে পারবে। বৈধভাবে স্বর্ণালংকার রপ্তানি উৎসাহিত করতে রপ্তানিকারকদের স্বর্ণালংকার তৈরির কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে রেয়াতসহ বিভিন্ন প্রকারের প্রণোদনামূলক বিশেষ সহায়তা দেওয়া হবে। স্বর্ণালংকার রপ্তানির উদ্দেশ্যে আমদানি করা স্বর্ণেও ক্ষেত্রে ডিউটি ড্র-ব্যাক ও বন্ডেড ওয়্যারহাউস সুবিধা দেওয়া হবে।

আমদানির নীতিমালা না থাকায় এতদিন বাংলাদেশে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে বৈধ উপায়ে স্বর্ণ আমদানির সুযোগ ছিল না। কিন্তু শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে প্রচুর স্বর্ণ ঠিকই দেশে এসেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

চোরাচালানে আটক স্বর্ণ দীর্ঘদিন ধরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিলাম না করায় বৈধ উৎস থেকে স্বর্ণ কেনার সুযোগ সীমিত বলেও ক্ষোভ প্রকাশ করে আসছিলেন জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা।


ঢাকা, বৃহস্পতিবার, মে ২৪, ২০১৮ (বিডিলাইভ২৪) // এস আর এই লেখাটি ১০১৫ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন