সর্বশেষ
মঙ্গলবার ২৯শে কার্তিক ১৪২৫ | ১৩ নভেম্বর ২০১৮

ঈদে বেনারসি পল্লীর চমক 'স্বর্ণকাতান'

বুধবার, জুন ৬, ২০১৮

2_0.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

ঈদকে ঘিরে সকলেরই থাকে বিশেষ আয়োজন। ঈদের কেনাকাটার তালিকায় শাড়ি থাকবে না, তা কি করে হয়। বাঙালিয়ানায় নিজেকে সাজাতে বাঙালি নারীদের অন্যতম পছন্দ বেনারসি।

আর বেনারসি কিনতে সকলের পছন্দ রাজধানীর মিরপুরের বেনারসি পল্লী। বেনারসি, জামদানি, কাতান, সিল্ক, জর্জেট, তাঁতসহ বিভিন্ন ধরনের শাড়ির জন্য জনপ্রিয় মিরপুরের বেনারসি পল্লী। ঈদ সামনে রেখে এখন ব্যস্ত দোকানগুলো।

বিয়ের শাড়ি কেনার জন্য এখনও বেশিরভাগ মানুষের প্রথম পছন্দ মিরপুরের বেনারসি পল্লী। তবে ঈদ সামনে রেখে তরুণী থেকে শুরু করে মধ্যবয়সীদের আনাগোনায় জমজমাট বেনারসি পল্লী। সাধ ও সাধ্য মিলিয়ে শাড়ি কিনতে ক্রেতার ভিড়। দেশি তাঁত, জামদানি, টাঙ্গাইল শাড়ির পাশাপাশি সিল্ক, কাতানও বিক্রি হচ্ছে প্রচুর।

এবারের ঈদকে সামনে রেখে বেনারসি পল্লীতে পাওয়া যাচ্ছে নানা আঙ্গিকে সোনালি, মেরুন, মেজেন্টা, সবুজ ও অ্যাশ কম্বিনেশনের বেনারসি স্বর্ণকাতান শাড়ি।

দোকানিরা জানালেন, এবার ঈদে বেনারসি স্বর্ণকাতান বাজার মাত করবে। দামও ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে- সাড়ে ৩ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকার মধ্যে পাওয়া যাবে একটি স্বর্ণকাতান শাড়ি। এছাড়াও রয়েছে মেঘদূত কাতান, ঘাড্ডি কাতান, চেন্নাই সিল্ক, সাউথ কাতান, মসলিন, ঢাকাই জামদানি, তাঁত জামদানি, কানিয়াচল শাড়ি।

পছন্দের জিনিসটি ক্রয় করতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মার্কেটে ভিড় জমাচ্ছেন বিভিন্ন শ্রেণীপেশার ক্রেতা সাধারণ।

আবার ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে বিপণিবিতানগুলো সাজানো হয়েছে বাহারি সাজে। তবে রোজার প্রথমদিকে আশানুরূপ ক্রেতার দেখা না মিললেও ১৫ রোজার পর বিক্রি বাড়ার প্রত্যাশা বিক্রেতাদের।

বিশ্বদরবারে স্বতন্ত্র মহিমায় সমুজ্জ্বল আমাদের অভিজাত তাঁতবস্ত্র ঘিরে তৈরি করা বেনারসিসহ নানা নামের শাড়ি। এ শিল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছে এ দেশের সংস্কৃতি ও কৃষ্টি। বিশ্ববিশ্রুত অনন্য মসলিন শাড়ির সংস্করণ আধুনিক ডিজাইনের এ শাড়ি।

মিরপুরে বেনারসি পল্লীর যাত্রা শুরু সেই ১৯০৫ সালে। মানে একশ' বছরেরও বেশি সময় ধরে এখানে বেনারসি, কাতান, জামদানিসহ দারুণ সব শাড়ি বেচাকেনা চলছে।

১৯৯০ সাল পর্যন্ত গদিঘর তেমন ছিল না বললেই চলে। গদিঘরগুলোয় বেনারসি শাড়ির খুচরা ও পাইকারি কেনাবেচা হতো সাধারণত। পরবর্তী সময়ে চাহিদা বাড়তে থাকায় এগুলোর সংখ্যা বাড়তে থাকে। পুরনোদের সঙ্গে নতুন নতুন উদ্যোক্তা যোগ দেয়। পরবর্তী সময়ে কারখানাগুলো অন্য জায়গায় সরে যায় ও গদিঘরগুলো আধুনিক শোরুমে পরিণত হয় এবং দেশে-বিদেশে এখানকার পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে।


ঢাকা, বুধবার, জুন ৬, ২০১৮ (বিডিলাইভ২৪) // এস আর এই লেখাটি ১৫২৬ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন