সর্বশেষ
মঙ্গলবার ১০ই আশ্বিন ১৪২৫ | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮

শহীদ জননী জাহানারা ইমামের ২৪তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

মঙ্গলবার, জুন ২৬, ২০১৮

7.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

আজ ২৬ জুন, শহীদ জননী জাহানারা ইমামের ২৪তম মৃত্যুবার্ষিকী। দুরারোগ্য ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ১৯৯৪ সালের এইদিনে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

মুক্তিযোদ্ধার গর্বিত জননী, বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও সংগঠক এই মহীয়সী নারীর নেতৃত্বেই গত শতকের নব্বইয়ের দশকে গড়ে উঠেছিল যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আন্দোলন। ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির ব্যানারে করা সেই আন্দোলনই আজ এগিয়ে যাচ্ছে চূড়ান্ত লক্ষ্যের দিকে। বহু ঘাত-প্রতিঘাত অতিক্রম করে আজ তা বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে উপনীত হয়েছে।

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে তার ছেলে শফি ইমাম রুমী শহীদ হন। এ ছাড়া তার স্বামী শরীফ ইমামও মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ইন্তেকাল করেন।

দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে শহীদ জননীর মৃত্যুবার্ষিকী পালন করবে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠন।

শহীদ জননী স্মরণে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির পক্ষ থেকে প্রতি বছরের মতো এবারও কেন্দীয়ভাবে 'জাহানারা ইমাম স্মারক বক্তৃতা', আলোচনা সভা এবং 'জাহানারা ইমাম স্মৃতিপদক' প্রদানের আয়োজন করা হয়েছে। এ বছর ‘জাহানারা ইমাম স্মারক বক্তৃতা’ প্রদান করবেন বরেণ্য কথাসাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক হাসান আজিজুল হক। বক্তৃতার বিষয়: '৪৭-এর দেশভাগ এবং বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক রাজনীতি'।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য এ বছরও বরেণ্য ব্যক্তিত্ব ও সংগঠনকে ‘জাহানারা ইমাম স্মৃতিপদক’ প্রদান করা হবে।

প্রসঙ্গত, ১৯৯১ সালের ২৯ ডিসেম্বর গোলাম আযমকে জামায়াতে ইসলামী তাদের দলের আমীর ঘোষণা করলে বাংলাদেশে জনবিক্ষোভের সূত্রপাত হয়। বিক্ষোভের অংশ হিসাবে জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে ১৯৯২ সালের ১৯ জানুয়ারি ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি গঠন করা হয়। তিনি হন এর আহ্বায়ক।

তৎকালীন সরকারের বিরোধিতা জেল-জুলুম সহ্য করে তিনি এই আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন। আন্দোলন চলাকালীন তার ক্যান্সার আরো বেড়ে যায়। আমেরিকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

জাহানারা ইমাম ১৯২৯ সালে বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলায় এক রক্ষণশীল বাঙালি মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।


ঢাকা, মঙ্গলবার, জুন ২৬, ২০১৮ (বিডিলাইভ২৪) // এস আর এই লেখাটি ২৪৫ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন