সর্বশেষ
বৃহঃস্পতিবার ২৮শে অগ্রহায়ণ ১৪২৬ | ১২ ডিসেম্বর ২০১৯

দাদ রোগ প্রতিরোধে যা করণীয়

মঙ্গলবার, জুলাই ৩, ২০১৮

tinea-barbaris.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

দাদ এক প্রকার সংক্রামক চর্মরোগ৷ দাদ শরীরের বিভিন্ন স্থানে হতে পারে। এটি প্রচণ্ড চুলকায়। সময় মতো চিকিৎসা না নিলে এটি ছড়িয়ে জটিল অবস্থা তৈরি করতে পারে। এছাড়া আরেকটি ত্বকের ছত্রাকজনিত রোগ ক্যানডিডাই। সাধারণত বেশি পানি ঘাটলে এই সমস্যা হয়।

কারণ:

• ছত্রাকের কারণে দাদ হয়ে থাকে। সাধারনত ভেজা বা স্যাঁতসেঁতে জায়গা এবং ভালোভাবে আলোবাতাস পায় না এধরণের জায়গায় ছত্রাকের জন্ম হয়।

• অপরিষ্কার অপরিচ্ছন্নতা, আটসাট অন্তর্বাস ব্যবহার করলে, অপরিষ্কার কাপড় ব্যবহার করলে এবং সংক্রামক ব্যক্তির কাপড়, গামছা ব্যবহার করলে দাদ হতে পারে।

দাদ কোথায় বেশি হয়?

• মাথার চুলের নিচে দেখা যায়।

• দাড়িতে দাদ হয়।

• কুচকীতে ও রানের দুপাশে দাদ হয়।

• পিঠ, পেট, গায়ে দাদ হয়।

• পায়ের তলায় এবং পাতায় দাদ হয়।

• নখে দাদ হতে পারে।

লক্ষণ:
দাদ হলে সাধারণত চামড়ার ওপর গোলাকার ক্ষতের সৃষ্টি হয়। এটি দেখতে অনেকটা চাকার মতো যার কিনারগুলো সামান্য উঁচু হয়। যতই দিন যায় চাকার পরিধি বাড়তে থাকে আর কেন্দ্রের দিকে বা ভেতরের দিকে ভালো হয়ে যেতে থাকে। ক্ষত স্থান থেকে খুসকির ন্যায় ওঠে। কখনো কখনো পানি ভর্তি দানা ও পুঁজ ভর্তি দানা হয়। ক্ষত স্থান অত্যন্ত চুলকায়৷ মাথায় দাদ হলে আক্রান্ত স্থানের চুল পড়ে যায়। কোমরে বা কুচকিতে হলে চামড়া সাদা ও পুরু হয়ে যায়। নখে হলে নখ অস্বচ্ছ ও ভঙ্গুর হয়ে যায়। দাদ চুলকালে সেখান থেকে কষ পড়তে থাকে।

চিকিৎসা :

দ্রুত চর্ম ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

প্রতিরোধ:

• ক্ষতস্থান শুকনো রাখার চেষ্টা করা, যতটা সম্ভব তেল সাবান না লাগানো ভাল।

• সংক্রমণের জায়গাটা যতটাসম্ভব খোলা রাখতে হবে এবং গেঞ্জি, মোজা, আন্ডারওয়্যার প্রতিদিন পরপর পরিষ্কার করতে হবে।

• উষ্ণ গরম পানি ও সাবান দিয়ে ভালভাবে ধৌত করে শুকিয়ে প্রয়োজনে ওষুধ ব্যবহার করা উচিৎ।


ঢাকা, মঙ্গলবার, জুলাই ৩, ২০১৮ (বিডিলাইভ২৪) // পি ডি এই লেখাটি ৫১৬২ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন