সর্বশেষ
সোমবার ২০শে আষাঢ় ১৪২৯ | ০৪ জুলাই ২০২২

নোয়াখালীতে বিমানবন্দর নির্মাণ করা হবে: শাহজাহান কামাল

রবিবার, জুলাই ২২, ২০১৮

hhh_0.jpg
নোয়াখালী প্রতিনিধি :

বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী একেএম শাহজাহান কামাল বলেছেন, নোয়াখালীতে বিমানবন্দর নির্মাণ করা আমার একটি স্বপ্ন। সমীক্ষা শেষে রিপোর্টের পর নোয়াখালীতে বিমান বন্দর স্থাপন করা হবে। এখানে বিমান বন্দর হওয়ার জন্য একটি উপযুক্ত স্থান। আমি বৃহত্তর নোয়াখালীর সন্তান হিসাবে নোয়াখালীর জন্য কিছু করার স্বপ্ন ছিলো দীর্ঘ দিন। এতদিন সে সুযোগ পাইনি। এখন সুযোগ এসেছে এখানে একটি বিমান বন্দর স্থাপন করা হবে। আগামী তিন মাসের মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিমান বন্দরের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হবে। মাননীয় যোগাযোগ মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, স্থানীয় সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরীর আন্তরিক প্রচেষ্টায় ও নোয়াখালীবাসীর দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে এটা বাস্তবায়ন করা হবে।

রোববার বিকেলে নোয়াখালী সদরের উত্তর ওয়াপদা বাজার আসন্ন বিমান বন্দর এলাকায় এক বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এডভোকেট শিহাব উদ্দিন শাহীনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্যে রাখেন নোয়াখালী-০৪ (সদর, সুবর্ণচর) আসনের সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খায়রুল আনম সেলিম, লক্ষ্মীপুর আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম ফারুক পিংকু, সাধারণ সম্পাদক নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়নম, বিমান ও পর্যটন মন্ত্রনালয়ের সচিব মহিবুল হক প্রমুখ। এসময় জেলা প্রশাসক মাহবুব আলম তালুকদার, পুলিশ সুপার ইলিয়াস শরিফ জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মাওলা লিটন, সুবর্ণচর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট ওমর ফারুক, সুধারাম থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান নাছের, ধর্মপুর ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের সভাপতি আবু তাহের সহ আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে নোয়াখালী ৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমরামুল করিম চৌধুরীর কবিরাহাটস্থ বাস ভবনে সাংবাদিকদের সাথে মত বিনিময় কালে মন্ত্রী বলেন, নোয়াখালীতে পর্যটনের ব্যাপক ভবিষ্যত রয়েছে। পর্যটন শিল্প হচ্ছে দেশের সবচেয়ে বড় অর্থনীতির যোগান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পর্যটন শিল্পসহ সব খাতে আমরা অগ্রসর হচ্ছি। আগামী ২০২১ সালে আমরা সুবর্ণ জয়ন্তী পালন করব। ২০২০ সালে বঙ্গবন্ধু শত বর্ষ পালন করব। বাংলাদেশের অর্থনীতি মুক্তির জন্য প্রধানমন্ত্রী ২৪ ঘন্টা কাজ করে যাচ্ছেন। আজকের ডিজিটাল বাংলাদেশ তারই ফসল। নেন্ত্রীর জন্য আজ আমরা বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাড়াতে পেরেছি। অথচ একদল দুষ্কৃতিকারী তাকে হত্যা করার ষড়যন্ত্র করছে। পরে বিমানবন্দর এলাকা পরিদর্শন কালে বলেন বিমান বন্দর হওয়ার জন্য এটা উপযুক্ত স্থান।

উল্লেখ্য, ১৯৬৯ সালে শস্য সংরক্ষণ ও পোকা মাকড় দমনের জন্য প্রায় ১৮ একর ভূমি ও পরে ১৯৯২-৯৩ সনে বিমান অবতরণের জন্য আরো ২ একর সহ মোট ২০ একর ভূমি কৃষি বিভাগের মধ্যে অধিগ্রহণ করা হয়। এ নোয়াখালীতে একটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, স্বর্নদ্বীপ, সহ বিভিন্ন শিল্প কারখানা রয়েছে এখানকার হাজার হাজার লোক বিভিন্ন দেশে ব্যবসা সহ চাকুরী করেন। তাই নোয়াখালীবাসীর দীর্ঘ দিনের স্বপ্ন ছিলো একটি বিমান বন্দরের। অবশেষে সেটা পূরণ হতে যাচ্ছে এমন প্রত্যাশা সকলের।

আকবর হোসেন সোহাগ,নোয়াখালী প্রতিনিধি।    


ঢাকা, রবিবার, জুলাই ২২, ২০১৮ (বিডিলাইভ২৪) // পি ডি এই লেখাটি ২৮৭৯ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন