সর্বশেষ
বুধবার ৪ঠা আশ্বিন ১৪২৫ | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮

ম্যালেরিয়া চিকিৎসায় ব্যাপক অগ্রগতি

সোমবার, জুলাই ২৩, ২০১৮

7.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

৬০ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম ম্যালেরিয়ার কোন প্রতিষেধক অনুমোদন পেতে যাচ্ছে। এরই মধ্যে প্রতিষেধকটি যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সবুজ সংকেত পেয়েছে।

প্রতিষেধকটির নাম 'টেফিনোকুইন' বলে জানা গেছে। প্রাণঘাতী রোগের এ প্রতিষেধক আবিস্কারকে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা যুগান্তকারী ঘটনা হিসেবে মনে করছেন।

এর আগে বিভিন্নভাবে কুইনাইন অথবা আর্টিমেসিনিন ওষুধগুলো ম্যালেরিয়ার চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা হলেও সেগুলোর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া অত্যন্ত বিপদজ্জনক।

এই প্রতিষেধক মূলত মানুষের লিভার বা যকৃতের মধ্যে সুপ্ত অবস্থায় লুকিয়ে থাকা ম্যালেরিয়াকে চ্যালেঞ্জ জানাবে। বহু বছর পর এই জীবাণু আবার জেগে উঠে মানুষকে আক্রান্ত করতো। এটি মূলত প্ল্যাজমোডিয়াম ভাইভাক্স নামক একটি জীবাণু।

শিশুরাই সবচেয়ে বেশি এই ধরণের ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়। আমেরিকার ‘ফুড অ্যান্ড ড্রাগ এডমিনেস্ট্রেশন’ বিভাগ টেফিনোকুইন পরীক্ষা করে সেটিকে অনুমোদন দিয়েছে। ম্যালেরিয়ার আক্রান্ত হলে দ্রুত ইনফেকশন থেকে বাঁচার জন্য অন্য কোন ওষুধের সাথে টেফিনোকুইন নেয়া যাবে।

মশাবাহিত এ রোগে আক্রান্ত হলে মানুষের দেহে জীবাণুর সংখ্যা অস্বাভাবিক পরিমাণে বেড়ে যায়। রক্তের লোহিত রক্ত কণিকাগুলো খুব দ্রুত ভাঙতে থাকে এবং রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। লিভার বা যকৃত বড় হয়ে যায় এবং সংক্রমিত হয়। প্লীহা, মস্তিষ্ক আক্রান্ত হয়ে রোগীর মৃত্যু ঘটতে পারে।

বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক সংক্রামক ব্যাধি ম্যালেরিয়াতে প্রতি বছর অন্তত ৮৫ লক্ষ মানুষ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং এতে অন্তত ৬ লক্ষ মানুষের মৃত্যু ঘটে। যাদের বেশিরভাগেই আফ্রিকার সাহারা অঞ্চলের।


ঢাকা, সোমবার, জুলাই ২৩, ২০১৮ (বিডিলাইভ২৪) // এস আর এই লেখাটি ১৮২ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন