সর্বশেষ
বুধবার ৭ই অগ্রহায়ণ ১৪২৫ | ২১ নভেম্বর ২০১৮

পায়েলকে নদীতে ফেলার বর্ণনা দিলেন বাসচালক

বৃহস্পতিবার, জুলাই ২৬, ২০১৮

full_payel-inner20180722180401_0.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নর্থ সাউথের ছাত্র সাইদুর রহমান পায়েলের (২১) মৃত্যুর ঘটনায় হানিফ পরিবহনের চালক জামাল মিয়া ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার মুন্সীগঞ্জ আমলী আদালত-৩ এ দেওয়া এই জবানবন্দিতে পায়েলকে নদীতে ফেলার বর্ণনা দেন তিনি। অন্যদিকে চালকের সহকারী ফয়সালের সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করেছে পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করে গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ জানান, এর আগে বুধবার বাসের সুপারভাইজার জনি আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করেন।

আদালতের বরাত দিয়ে ওসি জানান, চালক তার স্বীকারোক্তিতে বলেন, মহাসড়কের গজারিয়া থানার ভাটেরচর সেতুর পাশে বাসটি ভোররাতে জ্যামে পড়লে সাইদুর রহমান পায়েল তার মোবাইল ফোন বাসের সিটে রেখে নিচে নামেন। জ্যাম ছাড়ার পর গাড়ি চলতে শুরু করলে পায়েল দৌড়ে বাসে উঠতে গিয়ে ধাক্কা লেগে অজ্ঞান হয়ে যান। এ সময় পায়েলকে মৃত ভেবে তারা নদীতে ফেলে দেন।

এদিকে বৃহস্পতিবার মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এই ঘটনা তুলে ধরা হয়।

এ সময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও গজারিয়া থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মামুন আল রশিদ জানান, নিহত সাইদুর রহমান পায়েল ঢাকার নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএর শিক্ষার্থী। শনিবার রাতে বন্ধু আদর ও শান্তর সঙ্গে হানিফ পরিবহনের একটি বাসে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে তিনি রওয়ানা হন। পথে ভোর চারটার দিকে গজারিয়া থানার ভাটেরচর এলাকায় জ্যামে আটকে পড়া গাড়ি থেকে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে নামেন পায়েল। তখন তার দুই বন্ধু ঘুমিয়ে ছিলেন। জ্যাম ছাড়ার পর গাড়ি চলতে শুরু করলে পায়েল দ্রুত বাসে উঠতে গিয়ে ধাক্কা লেগে অজ্ঞান হয়ে যান। তখন পায়েলকে মৃত ভেবে তারা নদীতে ফেলে দিয়ে বাস নিয়ে ঢাকায় যান।

এরপর সোমবার সকালে ভাটেরচর সেতুর পাশে নদীতে অজ্ঞাত একজনের মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে এবং পরিচয় নিশ্চিত হয়। সূত্র: সমকাল


ঢাকা, বৃহস্পতিবার, জুলাই ২৬, ২০১৮ (বিডিলাইভ২৪) // পি ডি এই লেখাটি ৩৯২২ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন