সর্বশেষ
সোমবার ৯ই আশ্বিন ১৪২৫ | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮

মহাজাগতিক দৃশ্য দেখল বিশ্ববাসী

শনিবার, জুলাই ২৮, ২০১৮

blood-moon1-20180728115938.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

শতাব্দীর দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণ দেখল বিশ্ববাসী। দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণকে ঘিরে উচ্ছ্বাস ও উন্মাদনা ছিল গোটা বিশ্বে। শুক্রবার রাতে রক্তিম পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ ১ ঘণ্টা ৪৩ মিনিট সময় পর্যন্ত স্থায়ী ছিল।

ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, এশিয়া এবং দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলো থেকে পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ উপভোগ করেছেন কোটি কোটি মানুষ।

মধ্যরাতের আকাশে রক্তবর্ণ লাল চাঁদের শোভা দেখতে গোটা দুনিয়ার কৌতূহল ছিল চোখে পড়ার মত। সোশ্যাল মিডিয়াতেও আসে সেই বিরল মহাজাগতিক ঘটনার ছবি।

২৭ জুলাই শুক্রবার বাংলাদেশের সময় অনুযায়ী দিবাগত রাতে আকাশ থেকে বছরের দ্বিতীয় পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণটি দেখা গেছে। তবে বাংলাদেশের আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকায় অনেকেই এই মহাজাগতিক দৃশ্য দেখতে পাননি।

ঢাকার স্থানীয় সময় অনুযায়ী এই চন্দ্রগ্রহণের উপচ্ছায়া পর্যায় শুরু হয় ২৭ জুলাই রাত ১১টা ১৪ মিনিটে, আংশিক চন্দ্রগ্রহণ শুরু রাত ১২টা ২৪ মিনিটে, পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ শুরু হয় রাত ১টা৩০ মিনিটে, পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ শেয় রাত ৩টা ১৩ মিনিটে এবং আংশিক চন্দ্রগ্রহণ সমাপ্ত হয় রাত ৪টা ১৯ মিনিটে।

এবারের চন্দ্রগ্রহণটি একুশ শতকের (২০০১-২১০০) সবচে দীর্ঘস্থায়ী পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ ছিল। যার স্থায়িত্ব ছিল সর্বমোট ১ ঘন্টা ৪৩ মিনিট। চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি যে পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ সংঘঠিত হয়েছে তার স্থায়িত্বকাল ছিল ১ ঘন্টা ১৬ মিনিট।

পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের সময় পৃথিবী থেকে চাঁদকে গাঢ় কমলা বা লাল রঙের দেখায়। চাঁদের এ অবস্থাকেই বলা হয় ‘ব্লাড মুন’। সূর্য, পৃথিবী ও চাঁদ কক্ষপথে ঘুরতে ঘুরতে একই সরলরেখায় চলে এলে গ্রহণ হয়। এ সময় পৃথিবী যদি চাঁদ ও সূর্যের মধ্যে থাকে, তখন চাঁদ পৃথিবীর ছায়ায় ঢাকা পড়ে যায়। একেই বলা হয় চন্দ্রগ্রহণ।


ঢাকা, শনিবার, জুলাই ২৮, ২০১৮ (বিডিলাইভ২৪) // পি ডি এই লেখাটি ৬৮০ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন