সর্বশেষ
রবিবার ৮ই আশ্বিন ১৪২৫ | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮

মিয়ানমারের সেনা কর্মকর্তা ও বিগ্রেডের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

শনিবার, আগস্ট ১৮, ২০১৮

3_0.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

রোহিঙ্গা মুসলিমদের বিরুদ্ধে 'জাতিগত শুদ্ধি অভিযান' এবং ব্যাপক মাত্রায় মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে মিয়ানমারের ৩ সেনা কর্মকর্তা ও ২ সেনা ব্রিগেডের ওপর যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।

গতকাল শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়ের ঘোষিত ওই নিষেধাজ্ঞার কারণে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের যুক্তরাষ্ট্রে থাকা সম্পত্তি জব্দ করা হবে।

বর্তমান নিষেধাজ্ঞার তালিকায় জেনারেল পদমর্যাদার কর্মকর্তা থাকলেও মিয়ানমারের সেনাপ্রধানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি না হওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন মানবাধিকার কর্মীরা। তারা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবেন না। যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আর্থিক লেনদেনও নিষিদ্ধ। এই নিষেধাজ্ঞাই এ পর্যন্ত রোহিঙ্গাদের ওপর চালানো নিপীড়নের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা সংস্থার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নেওয়া সবচেয়ে কড়া পদক্ষেপ।

যুক্তরাষ্ট্র মিয়ানমারের যেসব সেনা কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে তাদের মধ্যে রয়েছেন অং কি যা, খিন মং সোয়ে এবং খিন হ্লাইং। নিষেধাজ্ঞার আওতায় এসেছে সেনাবাহিনীর ৩৩তম এবং ৯৯তম লাইট ইনফেন্ট্রি ডিভিশন। বর্ডার পুলিশের কর্মকর্তা থুরা সাং লিনের বিরুদ্ধেও বলবৎ হয়েছে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা।

বাংলাদেশে শরণার্থী শিবিরে থাকা রোহিঙ্গাদের সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে ২৫ আগস্ট রাখাইনে সেনা অভিযানের বর্ষপূর্তিতে একটি মার্কিন প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। সেখানে রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের নৃশংসতা নিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও এর বিবৃতি দেয়াকে সামনে রেখে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয় এই পদক্ষেপ নিলো।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইনে সেনা অভিযান শুরু হলে প্রায় ৭ লাখ রোহিঙ্গা প্রতিবেশী বাংলাদেশে পালিয়ে আসে।


ঢাকা, শনিবার, আগস্ট ১৮, ২০১৮ (বিডিলাইভ২৪) // এস আর এই লেখাটি ৩৫৭ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন