সর্বশেষ
বুধবার ৩০শে কার্তিক ১৪২৫ | ১৪ নভেম্বর ২০১৮

মিয়ানমার সামরিক কর্মকর্তাদের বিচার করতেই হবে: জাতিসংঘ

সোমবার, আগস্ট ২৭, ২০১৮

image-84003-1535362737.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের গণহত্যা-নির্যাতন ও অন্যান্য মানবাধিকার বর্হিভূত কাজের জন্য দেশটির ঊধ্বর্তন সামরিক কর্মকর্তাদের অবশ্যই অনুসন্ধানের আওতায় আনা হবে। দেশটির সেনাপ্রধান এবং আরও পাঁচ শীর্ষ সেনা কর্মকর্তাকে বিচারের মুখোমুখি করতেই হবে বলেও জানিয়েছে জাতিসংঘ।

মিয়ানমার বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং (তথ্য অনুসন্ধান) মিশনের চেয়ারপারসন মারজুকি দারুসমান তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন উপলক্ষে সোমবার জেনেভায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন। খবর এএফপির।

তিনি বলেন, রাখাইন রাজ্যের উত্তরের গণহত্যার তদন্ত করে সেনাপ্রধান সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাইংসহ মিয়ানমার সেনাবাহিনীর শীর্ষস্থানীয় জেনারেলদের অবশ্যই বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।

গত বছরের আগস্টে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের ওপর নৃশংসতা শুরু করে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। সে সময় মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর অভিযানকে জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্র 'জাতিগত নিধনযজ্ঞ' বলে অভিহিত করে, যা আন্তর্জাতিক আইনে মানবতাবিরোধী অপরাধ।

রাখাইনে সেনা অভিযান শুরুর পর থেকে প্রায় ৭ লাখের মতো রোহিঙ্গা দমন-পীড়ন থেকে বাঁচতে রাখাইন থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে। পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের অভিযোগ, রাখাইনে সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের নির্বিচারে হত্যা, ধর্ষণ করছে এবং তাদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দিচ্ছে। তবে বরাবরই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছে মিয়ানমার সরকার। বরং তারা রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের দমনেই রাখাইনে সেনা অভিযান চালানো হয় বলে দাবি করে তারা।

সোমবার জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন যে প্রতিবেদন উপস্থাপন করেছে তাতে সেনাবাহিনীর এই অভিযানকে 'প্রকৃত নিরাপত্তা হুমকির ক্ষেত্রে যথাযথ ও সঙ্গতিপূর্ণ নয়' বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

২০১৭ সালের মার্চে জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল গঠিত এই মিশনের প্রতিবেদনে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে তাদের বিচারের মুখোমুখি করার জন্য পর্যাপ্ত তথ্য রয়েছে বলেও জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।


ঢাকা, সোমবার, আগস্ট ২৭, ২০১৮ (বিডিলাইভ২৪) // পি ডি এই লেখাটি ৪৬৯ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন