সর্বশেষ
শনিবার ৩রা অগ্রহায়ণ ১৪২৫ | ১৭ নভেম্বর ২০১৮

এমিরেটসের ফ্লাইটে হঠাৎ ১৯ জন অসুস্থ

বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ৬, ২০১৮

2.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

দুবাই থেকে নিউ ইয়র্কে অবতরণ করা এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে কমপক্ষে ১৯ জন অসুস্থ হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছে নিউ ইয়র্ক মেয়রের কার্যালয়।

এর আগে ফ্লাইটটিতে যাত্রী ও ক্রু মিলিয়ে প্রায় ১শ’ জন অসুস্থ বোধ করার কথা জানায় বলে জানিয়েছিল কর্তৃপক্ষ। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম'র।

দুবাই থেকে রওনা দেওয়া এমিরেটস ফ্লাইট-২০৩ বুধবার কমপক্ষে ৫২১ যাত্রী নিয়ে সকাল ৯টা ৬ মিনিটের দিকে জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

নিউ ইয়র্ক মেয়রের কার্যালয়ের এক মুখপাত্র বলেছেন, অসুস্থ ১৯ জনের মধ্যে ১০ জনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। বাকী ৯ জনের অসুস্থতার লক্ষণ থাকলেও তাদের চিকিৎসার দরকার পড়েনি।

যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি) প্রাথমিক এক বিবৃতিতে জানিয়েছিল, বিমানবন্দরে অবতরণের পরই ফ্লাইটটির প্রায় ১শ’ আরোহী অসুস্থ বোধ করার কথা বলে। তাদের কাশি এবং জ্বর ছিল।

তবে এমিরেটস এক বিবৃতিতে তাদের ফ্লাইটে মধ্যপ্রাচ্যের মাত্র ১০ যাত্রী অসুস্থ হওয়ার কথা বলেছিল। তাদেরকে হাসপাতালে নেওয়ার কথাও জানিয়েছিল তারা।

বিমানটি অবতরণের পর খবর পেয়ে স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা সেখানে যান। পূর্ব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসাবে স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে অসুস্থদেরকে পরীক্ষাও করা হয়। এরপর দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে সব যাত্রী এবং ক্রুকেই পরীক্ষার পর বিমান থেকে নামিয়ে ফেলা হয়।

এমিরেটসের মুখপাত্র জানিয়েছেন, তিন যাত্রী এবং ৭ ক্রুকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আর ৯ জনকে ঘটনাস্থলেই বাড়তি কিছু ডাক্তারি পরীক্ষা করা হয়েছে। পরে তাদেরকে ছেড়ে দেওয়া হয়। বাদবাকী যাত্রীদেরও আপন আপন গন্তব্যে চলে যেতে বলা হয়েছে।

ফ্লাইটটির ইরিন নামের এক যাত্রী সিএনএন কে বলেন, বিমান ছাড়ার আগেই তিনি বিমানবালার কাছ থেকে মাস্ক চেয়েছিলেন। কিন্তু মাস্ক ছিল না।

বিমানটি ছাড়ার আগেই বহু মানুষ অসুস্থ হয়েছে এটি পরিষ্কার বলে তিনি মন্তব্য করেন। তাছাড়া, ফ্লাইটটি একেবারে নির্বিঘ্ন ছিল। ফলে কোনো ধরনের সমস্যা থেকে বা বিমানে ভ্রমণজনিত কারণে মানুষজন অসুস্থ হয়েছে বলেও মনে করেন না বলে জানান তিনি।

ইরিন আরো বলেন, লোকজন অনবরত কাশছিল। কারো কারো ১শ’র ওপরে জ্বরও ছিল। তাদেরকে বিমানে রাখা কখনোই উচিত ছিল না।

বিমানটিকে টারমিনাল থেকে দূরে একটি জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানে জরুরি অবস্থা মোকাবেলা কর্মকর্তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে দেখছেন।

হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র সারাহ স্যান্ডার্স বলেছেন, তারা পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছেন এবং নতুন কোনো তথ্য আসার সঙ্গে সঙ্গে প্রেসিডেন্টকেও তা জানানো হচ্ছে।


ঢাকা, বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ৬, ২০১৮ (বিডিলাইভ২৪) // জে এইচ এই লেখাটি ৬৮৬ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন