সর্বশেষ
বৃহঃস্পতিবার ৭ই অগ্রহায়ণ ১৪২৬ | ২১ নভেম্বর ২০১৯

মেট্রোরেলের নতুন দুই প্রকল্প একনেকে অনুমোদন

মঙ্গলবার, অক্টোবর ১৫, ২০১৯

7.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

রাজধানীতে যানজট নিরসনসহ গতিশীলতা বাড়াতে ৯৩ হাজার ৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ে আরও দু’টি মেট্রোরেল প্রকল্প অনুমোদন করছে জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিলের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।

আজ মঙ্গলবার একনেকের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেকের এক সভায় এই অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

মেট্রোরেলের নতুন দুই প্রকল্পসহ মোট ১০টি প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় এক লাখ ২৫ হাজার ২৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকার দেবে ৩০ হাজার ৪৬৬ কোটি, সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ৫১৫ কোটি ৮৪ লাখ এবং বৈদেশিক ঋণ ৬৯ হাজার ৪৩ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। মোট টাকার মধ্যে দুই মেট্রোরেল প্রকল্পেই ব্যয় ধরা হয়েছে ৯৩ হাজার ৭৯৯ কোটি ৯৮ লাখ টাকা।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, দুটি মেট্রো লাইন প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়সীমা ও আনুমানিক ব্যয়ের মধ্যে শেষ করা হবে।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এমআরটি লাইন-১ প্রকল্পের কাজ শেষ হবে ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৫২ হাজার ৫৬১.৪৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে ১৩ হাজার ১১১.১১ কোটি টাকা বাংলাদেশ সরকারের অংশ থেকে আসবে এবং বাকি ৩৯ হাজার ৪৫০.৩২ কোটি টাকা জাইকার কাছ থেকে প্রকল্প সহায়তা হিসেবে আসবে।

‘এমআরটি লাইন-১’ হবে ৩১.২৪ কিলোমিটার। এর মধ্যে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর পর্যন্ত প্রায় ১৬.২১ কিলোমিটার হবে আন্ডারগাউন্ড। আর কুড়িল থেকে পূর্বাচল পর্যন্ত প্রায় ১১.৩৬ কিলোমিটার হবে এলিভেটেট। এছাড়াও নতুন বাজার থেকে কুড়িল পর্যন্ত ৩.৬৫ কিলোমিটার আন্ডারগাউন্ড ট্রানজিশন লাইন থাকবে।

অন্যদিকে, এমআরটি লাইন-৫ উত্তর ও দক্ষিণ দু’টি রুটে বিভক্ত। এমআরটি লাইন-৫ প্রকল্পের জন্য মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৪১ হাজার ২৩৮.৫৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে ১২ হাজার ১২১.৪৯ কোটি টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগার ও অনুদান থেকে এবং জাইকার কাছ থেকে প্রকল্পের সহায়তা হিসেবে পাওয়া যাবে ২৯ হাজার ১১৭ কোটি টাকা।

উত্তরের রুটের দৈর্ঘ্য ২০ কিলোমিটার যার মধ্যে ৬.৫০ কিলোমিটার হেমায়েতপুর থেকে আমিনবাজার পর্যন্ত হবে। এবং আমিনবাজার থেকে ভাটারা পর্যন্ত ১৩.৫০ কিলোমিটার আন্ডারগাউন্ড হবে। এই প্রকল্পটি ২০২৮ সালের ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এমআরটি লাইন-৫ হেমায়েতপুর থেকে শুরু হয়ে আমিনবাজার, গাবতলী, মিরপুর-১, মিরপুর-১০, কচুক্ষেত, বনানী, গুলশান-১ এবং নতুনবাজার হয়ে ভাটারা গিয়ে শেষ হবে।

সড়ক পরিবহন ও সেতু বিভাগের কর্মকর্তা বলেন, এমআরটি লাইন-১ এবং এমআরটি লাইন-৫ প্রকল্প রাজধানীর যানজটকে অনেকাংশে সহজ করবে। এতে পরিবেশ-বান্ধব, আধুনিক ও নিরাপদ গণপরিবহন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করবে।


ঢাকা, মঙ্গলবার, অক্টোবর ১৫, ২০১৯ (বিডিলাইভ২৪) // এস আর এই লেখাটি ২৫৯ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন