সর্বশেষ
শুক্রবার ১লা অগ্রহায়ণ ১৪২৬ | ১৫ নভেম্বর ২০১৯

ডিজিটাল যুগে করুন ‘ডিজিটাল ডায়েট’

শনিবার, অক্টোবর ১৯, ২০১৯

74214569_542951876480254_6965536071836762112_n.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

ডিজিটাল যুগ। তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে জীবন-যাপনের আমূল পরিবর্তন ঘটেছে। সবচেয়ে বড় যে পরিবর্তন ঘটেছে তা হলো প্রযুক্তির প্রতি মানুষের আসক্তি। আপনি কী খেয়াল করেছেন হাত থেকে মোবাইল রাখলেই মনে হয় কিছু যেন মিস হয়ে যাচ্ছে। এটা মূলত ডিজিটাল রোগ। এই রোগ থেকে বাঁচতে দরকার হলো ডিজিটাল ডায়েট।

প্রযুক্তির প্রতি আসক্তি থেকে বিভিন্ন রোগ এবং এর থেকে সহজে বের হয়ে আসার পরামর্শ দিয়েছেন জার্মানির প্রযুক্তিবিদরা। সেগুলো হলো-

ঘাড়ে ব্যথা

সর্বশেষ খবর, ই-মেল কিংবা স্যোশাল মিডিয়ায় যোগাযোগ রাখার জন্য অনেকেই দিনের কয়েকটা ঘণ্টা সময় ব্যয় করেন মোবাইল বা স্মার্টফোনে৷ নীচের দিকে তাকিয়ে এত দীর্ঘ সময় কথা বলার কারণে ঘাড়ে চাপ পরে এবং ব্যথা হয়, যা প্রথমদিকে সেভাবে বোঝা না গেলেও ধীরে ধীরে জটিল হয়ে স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে৷

মনোযোগ এবং উৎপাদনশীলতা কমে যায়

যে ব্যক্তি দিনে দুই ঘণ্টা বা তার বেশি সময় স্মার্টফোন ব্যবহার করে তার অন্যদিকে মনোযোগ এবং ‘প্রোডাক্টিভিটি’ কমে যায়৷ শুধু তাই নয়, কোনো এক সময় এ অবস্থা থেকে ‘বার্নআউট’ও শুরু হতে পারে৷ অনেকে ছুটিতে গেলেও মোবাইল ও ল্যাপটপ হাতছাড়া করতে চাননা, উত্তর দিয়ে থাকেন অ-দরকারি ইমেইলেরও৷ যদি তাই হয় তাহলে আর টাকা খরচ করে ছুটিতে না গিয়ে বাড়িতে থাকাই শ্রেয়৷ এমনটাই জানান বিশেষজ্ঞ৷

কীভাবে নিয়ন্ত্রণ সম্ভব?

যেকোনো ডায়েটিংয়ের মতো ডিজিটাল ডায়েটও খুব কঠিন৷ বিশেষ করে এই নিয়ন্ত্রণ পুরোটাই নিজের ওপর নির্ভর করে৷ নিজেকেই ঠিক করতে হবে, কোন ইমেইল বা মেসেজের উত্তর আপনি দিতে চান আর কোনটা চান না৷ ঠিক যেমন, ওজন কমাতে চাইলে কিছু খাবার থেকে নিজেকে দূরে থাকতে হয়, সেরকম ‘ডিজিটাল ডায়েটের’ ক্ষেত্রেও মোবাইলের মতো কিছু জিনিস বাদ দিতে হয়৷

দিনে ৫৩ বার!

মোবাইল অ্যাপের জন্য ৬০ হাজার মোবাইল ব্যবহারকারী নিয়ে জার্মানির বন বিশ্ববিদ্যালয়ের করা এক গবেষণা থেকে বেরিয়ে এসেছে যে মোবাইল ব্যবহারকারীরা গড়ে প্রতি ১৮ মিনিট অন্তর দিনে ৫৩ বার স্মার্টফোন ব্যবহার করেন৷

জার্মান প্রযুক্তিবিদ আলেকজান্ডার মার্কোভিৎস জানান, ‘যারা সত্যিই ডিজিটাল ডায়েটিং করতে চান তারা সপ্তাহে একদিন মোবাইলটি বাড়িতে রেখে যান৷ আর হ্যাঁ, সেকথা আগে থেকেই বন্ধু আর পরিচিতদের জানিয়ে দিন, যাতে কিছু হারাবার কোনো ভয় বা আতঙ্ক না থাকে৷’

 

 

 


ঢাকা, শনিবার, অক্টোবর ১৯, ২০১৯ (বিডিলাইভ২৪) // কে এইচ এই লেখাটি ১৮৯ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন