সর্বশেষ
সোমবার ২রা পৌষ ১৪২৬ | ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯

'বিশ্বে বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে ক্রিকেটাররা'

মঙ্গলবার, অক্টোবর ২২, ২০১৯

DhakaDistrict.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা সব ধরনের ক্রিকেটে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন। ক্রিকেটারদের এই ধর্মঘটে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। তিনি বলেন, বিশ্বে বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে ক্রিকেটাররা।

আজ মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেটে স্টেডিয়ামে পাপন এ কথা বলেন। খেলোয়াড়রা যদি খেলতে না চায় তারা খেলবে না। এতে তাদের কী বেনিফিট আমি বুঝি না। দুইদিন পর ক্যাম্প, তারা আসতে চাইলে আসবে। ভারতে যদি যেতে চায় তাহলে যাবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বিসিবি সভাপতি বলেন, ‘টাকার জন্য ধর্মঘটে ক্রিকেটাররা, এটা বিশ্বাস করতে পারছি না। ধর্মঘটের পেছনে কোনো কারণ আছে। এগুলো একটা পরিকল্পনার অংশ। ক্রিকেটের ইমেজ নষ্ট করতে তারা সফল হয়েছে। ক্রিকেটের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে।

বিসিবি সভাপতি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশের ক্রিকেটকে ডিএস্টাবলাইজ (অচল) করতে একটা ষড়যন্ত্র চলছে, এটা অনেকেই জানেন। সরকারের এমন কেউ নাই যে জানে না, কারা করছে তাও আমরা জানি। কে কে করছে তাও আমরা জানি, এমন না যে জানি না।’

পাপন বলেন, তারা একটি জায়গায় সফল হয়েছে। সেটা হলো ক্রিকেটের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে পেরেছে তারা। ক্রিকেটারদের সমস্যা সমাধান নিয়ে তিনি জানান, বিসিবির কাছে কেউ আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দেয়নি। তাদের তাই অপেক্ষা করা ছাড়া কিছু করার নেই। ভারত সিরিজের অনুশীলন ক্যাম্প সূচি অনুযায়ী শুরু হবে বলে জানান তিনি। যারা যাবে তারা যাবে। না গেলে নায়। এ নিয়ে বিসিবির কিছুই করাই নেয়। তবে বিসিবি সভাপতি বলেন, ক্রিকেটারদের সঙ্গে তাদের আলাপের পথ খোলা আছে।

আজ দুপুরে বিসিবি কার্যালয়ে সভাপতির নেতৃত্বে বৈঠক হয়। দিনের শুরু থেকেই এক এক করে পরিচালকরা আসতে থাকেন। দুপুর ১টার পর আসেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। এরপর শুরু হয় বিসিবির বৈঠক।

ক্রিকেটারদের ধর্মঘট নিয়ে বৈঠকের আগে বোর্ডের দায়িত্বশীল এক পরিচালক বলেন, সামনে ভারত সিরিজ। তার আগে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা হচ্ছে। এর আগে বিসিবি'র প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী জানান, দ্রুতই তারা ক্রিকেটারদের দাবি-দাওয়ার বিষয়টি সমাধান করার চেষ্টা করবেন।

এর আগে গতকাল মিরপুরে শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে দেশের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটারদের মুখপাত্র হয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন জাতীয় দলের টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। উপস্থিত ছিলেন তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহর মতো সিনিয়র ক্রিকেটাররাও। ঘরোয়া ক্রিকেটে পারিশ্রমিক বাড়ানো, ক্রিকেটারদের প্রতি বোর্ডের দৃষ্টিভঙ্গি বদলানো, কোয়াবের প্রেসিডেন্ট-সেক্রেটারির পদত্যাগসহ মোট ১১ দফা দাবিতে ধর্মঘটের ডাক দেন তারা।


ঢাকা, মঙ্গলবার, অক্টোবর ২২, ২০১৯ (বিডিলাইভ২৪) // জে এস এই লেখাটি ১৮৯ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন