সর্বশেষ
বৃহঃস্পতিবার ২৮শে অগ্রহায়ণ ১৪২৬ | ১২ ডিসেম্বর ২০১৯

ভালোবাসার খেলা থেকে নিষিদ্ধ হওয়ায় অত্যন্ত দুঃখিত: সাকিব

মঙ্গলবার, অক্টোবর ২৯, ২০১৯

154.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

জুয়াড়ির প্রস্তাব গোপন করাই ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ হলেন সাকিব আল হাসান। দুই বছরের জন্যে সাকিবকে নিষিদ্ধ করলেও ভুল স্বীকার করায় এক বছর কমিয়েছে আইসিসি।

তবে এরপরই নিজের দোষ স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিশ্বসেরা এ অলরাউন্ডার।

আইসিসিকে সাকিব বলেন, 'আমার ভালোবাসার খেলা থেকে নিষিদ্ধ হয়েছি। আমি অত্যন্ত দুঃখিত। আমি আমার শাস্তি মেনে নিচ্ছি। দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আইসিসি আকসু পুরোপুরি খেলোয়াড়দের উপর নির্ভরশীল। কিন্তু আমি আমার দায়িত্ব পালন করিনি।'

তিনি আরো বলেন, 'বিশ্বের অধিকাংশ ক্রিকেটার ও সমর্থকদের মতো আমিও দুর্নীতিমুক্ত খেলা চাই। আমি আইসিসি আকসুর দলের সঙ্গে তাদের শিক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গে কাজ করতে মুখিয়ে আছি। তরুণ খেলোয়াড়রা যাতে এমন ভুল না করে সেজন্য চেষ্টা করবো।'

উল্লেখ্য, আইসিসি জানিয়েছে, তিনবার জুয়াড়িদের কাছ থেকে ম্যাচ পাতানোর প্রস্তাব পেয়েও তা প্রত্যাখান করেছেন সাকিব। কিন্তু তিনি এসব প্রস্তাবের তথ্য আইসিসি'র দুর্নীতি বিরোধী ইউনিট বা আকসু-কে জানান নি। এ কারণেই তাকে এই সাজা দেওয়া হয়েছে।

আইসিসি বলেছে, ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ, জিম্বাবুয়ে ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার ত্রিদেশীয় সিরিজে দুবার ও একই বছর এপ্রিলে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ও কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের মধ্যকার ম্যাচে একবার ম্যাচ ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পান সাকিব। কিন্তু আইসিসিকে জানাননি সাকিব।

আইসিসির দুর্নীতি বিরোধী আইনে বলা আছে, কোনো ক্রিকেটার যদি জুয়াড়ির কাছ থেকে ম্যাচ পাতানোর বা স্পট ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পান, তাহলে দ্রুতই তা আইসিসি বা সংশ্লিষ্ট বোর্ড কর্মকর্তাদের জানাতে হবে। না জানালে সেটা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে। অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী, এই ধারা ভঙ্গের সাজা সর্বনিম্ন ছয় মাস থেকে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের নিষেধাজ্ঞা।


ঢাকা, মঙ্গলবার, অক্টোবর ২৯, ২০১৯ (বিডিলাইভ২৪) // এস আর এই লেখাটি ১৭৬ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন