সর্বশেষ
শনিবার ৩০শে অগ্রহায়ণ ১৪২৬ | ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯

মেলায় রাজস্ব আদায় ২ হাজার ৬১৩ কোটি টাকা

বুধবার, নভেম্বর ২০, ২০১৯

182.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আয়োজিত আয়কর মেলায় রেকর্ড মোট দুই হাজার ৬১৩ কোটি ৪৬ লাখ ৮৫ হাজার ৬৬৭টাকা কর আদায় হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ১৪৫ কোটি টাকা বেশি।

আজ বুধবার রাজধানীর অফিসার্স ক্লাব প্রাঙ্গণে আয়কর মেলার শেষ দিনে মোট ৫৯৭ কোটি ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫৪৮ টাকা কর আদায় হয়েছে। ৭ম দিনে সেবা গ্রহণ করেছেন ৩ লাখ ৫০ হাজার ৭৯৫জন করদাতা। আর রিটার্ন দাখিল হয়েছে ১লাখ ১৫ হাজার ১৮৫ এবং নতুন ই-টিআইন নিবন্ধন নিয়েছেন ৬ হাজার ১৩৯ জন করদাতা।

একুশটি বৃহৎ করদাতা প্রতিষ্ঠান আজ ২শ’৯৩ কোটি টাকা কর দিয়েছে। আজ মেলার শেষ দিনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়ার হাতে প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা করের পে-অর্ডার তুলে দেন।

যেসব প্রতিষ্ঠান কর দিয়েছে তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-আইএফআইসি ব্যাংক (৫০ কোটি টাকা), সিটি ব্যাংক (২০ কোটি টাকা), প্রাইম ব্যাংক (১০ কোটি টাকা), যমুনা ব্যাংক (১০ কোটি টাকা), ঢাকা ব্যাংক (১৫ কোটি টাকা, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক (১০ কোটি টাকা), পূবালী ব্যাংক (১০ কোটি টাকা), উত্তরা ব্যাংক (১০ কোটি টাকা), ব্র্যাক ব্যাংক (১০ কোটি টাকা), ব্যাংক এশিয়া (১০ কোটি টাকা), স্কয়ার ফার্মা (২০ কোটি টাকা),সাধারণ বীমা করপোরেশন (১০ কোটি টাকা), মিউচুয়াল ব্যাংক (১০ কোটি টাকা) ও বেক্সিমকো লিমিটেড (২ কোটি টাকা)।

পে-অর্ডার গ্রহণের পর এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, বৃহৎ করদাতারা সাধারণত অনেক বেশি কর দেন। তবে তারা মেলা উপলক্ষে আমাদের আহ্বানে তাদের করের একটি অংশ আজ জমা দিলেন।

মেলার ন্যায় হয়রানিমূক্ত পরিবেশে কর সেবা আয়কর অফিসে পাওয়া যাবে জানিয়ে মোশাররফ হোসেন বলেন, করদাতারা আয়কর মেলাকে নির্ভরযোগ্য বলে মনে করেন। কর অফিসেও এমন নির্ভরযোগ্য পরিবেশে করদাতারা কর দিতে পারবেন, সেটি নিশ্চিত করা হবে। কোন কর্মকর্তা কাউকে হয়রানি করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, আমরা করের আওতা বাড়ানোর আপ্রাণ চেস্টা করছি। সেজন্য করদাতাদের কর প্রদানে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। মেলা এরই একটি অংশ। এর পাশাপাশি কর জরিপের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

সামর্থ্যবানদের আয়কর দেয়া নৈতিক দায়িত্ব মন্তব্য করে মোশাররফ হোসেন বলেন, দেশের উন্নয়নের বেশিরভাগ অভ্যন্তরীণ সম্পদ ব্যবহার করে করা হয়। এছাড়া আমাদের ডিজিপি প্রবৃদ্ধির ৮ শতাংশের উপরে রাখতে হলে কর-জিডিপির অনুপাত বাড়াতেই হবে।


ঢাকা, বুধবার, নভেম্বর ২০, ২০১৯ (বিডিলাইভ২৪) // এস আর এই লেখাটি ৪০১ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন