সর্বশেষ
শনিবার ৫ই মাঘ ১৪২৬ | ১৮ জানুয়ারি ২০২০

গরুর মাংস রপ্তানিতে সহায়তায় আগ্রহী তুরস্ক

শুক্রবার, নভেম্বর ২২, ২০১৯

5.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

বাংলাদেশের গরুর মাংস গুণগত দিক থেকে উৎকৃষ্টমানের। এজন্য এগুলোকেও রপ্তানির আওতায় আনা সম্ভব। এজন্য দরকার হয় হালাল সার্টিফিকেশনের। সেই ক্ষেত্রে সহায়তা করতে আগ্রহী তুরস্ক। দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ফুয়াত ওকতের এই আগ্রহের কথা জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে তুরস্কের আঙ্কারায় তুরস্কের ভাইস প্রেসিডেন্ট ফুয়াত ওকতের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এ এসময় তিনি এসব কথা বলেন। শুক্রবার অর্থমন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা বলা হয়।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য মতে দেশে গরু আছে দুই কোটি ৮৪ লাখ ৮৭ হাজার ৪১৫টি। এসব গরু ব্যক্তি ও খামারি পর্যায়ে লালন-পালন করা হয়।

বর্তমানে তুরস্কে বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য প্রায় এক বিলিয়ন ডলার। এটাকে কীভাবে তিন বিলিয়ন ডলার করা যায় সে বিষয়ের আলোচনায় তুরস্কের ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেন, তুরস্ক ও বাংলাদেশের কূটনেতিক সম্পর্ক অত্যন্ত ভালো। দ্বিপাক্ষিক ব্যবসা বাণিজ্যের ক্ষেত্রে আমরা একে অন্যের প্রতিযোগী না হয়ে ব্যবসা করতে হবে। যেগুলোর প্রতি তুরস্কের চাহিদা রয়েছে সেই দ্রব্যেগুলো রপ্তানিতে বাংলাদেশ সুযোগ নিয়ে ভালো করতে পারে। আমরাও বাংলাদেশকে সেসকল ক্ষেত্রে সহযোগিতা দিতে পারি। বাংলাদেশ কৃষি খাত, এগ্রো প্রসেসিং, পাট ও পাটজাত দ্রব্য, খাদ্র প্রসেসিং বিশেষ করে আম, লিচু, কাঁঠাল, আনারস প্রসেসিংয়ের মাধ্যমে বাণিজ্য বাড়াতে পারে। সেক্ষেত্রে তুরস্কও সহায়তা দিতে পারে।

ব্যবসা বাণিজ্য পরিচালনার জন্য তুরস্ক বাংলাদেশে তাদের কার্যালয় স্থাপন করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা বলেন, বিভিন্ন খাতে জাপানের জাইকা, জেত্রো, কোরিয়ার কোইকার মতো প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন দেশে তাদের কার্যালয় স্থাপন করে যেভাবে তাদের উৎপাদিত দ্রব্য বাজারজাত করে ঠিক সেভাবে তুরস্কও বাংলাদেশে তাদের কার্যালয় স্থাপন করে কর্মপরিচালনা করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

তুরস্কের ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেন, যেহেতু বাংলাদেশে তাদের বাজার রয়েছে এবং তারা যেহেতু ইউরোপসহ অন্যান্য দেশের প্রবেশদ্বার, তাই বিশ্বে তাদের একটি অন্যরকম গুরুত্ব রয়েছে। এধরনের কার্যালয় স্থাপন করে কর্মপরিচালনা করলে বাণিজ্য সংক্রিয়ভাবেই অনেকগুণ বেড়ে যাবে। অর্থমন্ত্রী বিষয়টি বিবেচনা করা হবে বলে আশ্বস্ত করেন।

অর্থমন্ত্রী বাংলাদেশের সার্বিক অগ্রগতি তুলে ধরে বিনিয়োগের সুবিধাগুলো সম্পর্কে জানান। এসময় তুরস্কের ভাইস প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশের চামড়াজাত দ্রব্যের প্রতি অত্যধিক আগ্রহ ব্যক্ত করেন এবং আইসিটি খাতে তুরস্ক যেহেতু অত্যন্ত সফল তাই এই দুটি খাতে বাংলাদেশকে সহায়তা প্রদানে আগ্রহ প্রকাশ করেন।

এ সময়ে আরও উপস্থিত ছিলেন তুরস্কে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম আল্লামা সিদ্দিকী এবং পরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক মো. দাউদ আলী।


ঢাকা, শুক্রবার, নভেম্বর ২২, ২০১৯ (বিডিলাইভ২৪) // কে এইচ এই লেখাটি ২৮৩ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন