সর্বশেষ
বুধবার ১৩ই জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ | ২৭ মে ২০২০

আত্মীয় ছাড়াও কিডনি দেওয়া যাবে

আদালতের রায়

শুক্রবার, ডিসেম্বর ৬, ২০১৯

High-Court.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

আত্মীয়রা রাজি হয়নি বলে কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয়নি, এরকম রোগীর সংখ্যা বাংলাদেশে অনেক।

আর্থিকভাবে স্বচ্ছল ব্যক্তিরা অনেক সময় দেশের বাইরে গিয়ে কিডনি প্রতিস্থাপন করতে সক্ষম হলেও ব্যয়বহুল হওয়ায় বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষের পক্ষে তা সম্ভব হয় না।

২০১৮ সালে আইনের একটি সংশোধনী অনুযায়ী ২৩ জন নিকট আত্মীয়ের বাইরে কেউ একজন রোগীকে কিডনি দান করতে পারতেন না।

আত্মীয় না হলেও কোনো ব্যক্তিকে কিডনি দান করার বিধান রেখে আইন সংশোধনের রায় দিয়েছে বাংলাদেশের হাইকোর্ট। খবর - বিবিসি বাংলার।

রায়ে বলা হয়েছে, নিকটাত্মীয়ের বাইরেও বা মানবিক ও সহানুভূতিশীল যে কেউ চাইলে কিডনি দান করতে পারবেন।

এবার আরেক দফা ঐ আইন সংশোধনের পর কিডনির প্রতিস্থাপন আগের চাইতে সহজ হবে বলে মনে করেন রিটকারী আইনজীবি রাশনা ইমাম।

বাংলাদেশে মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইন ১৯৯৯ এর তিনটি ধারাকে কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না, এই মর্মে জারি করা রুলের ওপর আদালত এই রায় দেন গতকাল।

কোন পরিস্থিতিতে কিডনিসহ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেওয়া হচ্ছে, তার ব্যাখ্যা থাকতে হবে। দাতা স্বেচ্ছায় অঙ্গপ্রত্যঙ্গ দান করছেন কি না, অর্থ লেনদেন হচ্ছে কি না, দাতা মানসিকভাবে সুস্থ বা মাদকাসক্ত কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে। দাতা-গ্রহীতার দেওয়া তথ্যে বৈপরীত্য আছে কি না, তাও নিশ্চিত করতে হবে বলে নীতিমালায় এসেছে।

গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালের ডায়ালাইসিস বিভাগের প্রধান তাজুল ইসলাম বলেন, "দেশে কিডনি জটিলতায় আক্রান্ত ৪০ হাজার রোগী। এরমধ্যে প্রতিস্থাপন যোগ্য রোগী ২৫ হাজার। কিন্তু দেশের ভেতরে ট্রান্সপ্ল্যান্ট হয় মাত্র ২৫০টি। দেশের বাইরে হয় ১২০০-১৫০০। চাহিদা ও যোগানে ব্যাপক ফারাকের কারণ দেশের প্রচলিত আইন।"

"যদি সবাই স্বেচ্ছায় বা মরনোত্তর কিডনি দিতে পারতো, দেশে এ নিয়ে একটা কেন্দ্রীয় ডাটাবেজ থাকতো, এবং অরগান ব্যাংক থাকতো তাহলে চাহিদা ও যোগানে অনেকটাই ভারসাম্য আনা যেত।"


ঢাকা, শুক্রবার, ডিসেম্বর ৬, ২০১৯ (বিডিলাইভ২৪) // রি সু এই লেখাটি ৪০৩ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন